শুধু অর্ডারের অপেক্ষা। তা হলেই বাড়ির রান্না করা খাবার আপনার হেঁশেলে। যাঁরা ননীঘরের রান্না সম্পর্কে জানেন তাঁদের কাছে এই খবর জানা। ৫০০ মহিলা শেফ নিজেদের রান্নাঘরে বসে রাঁধেন বাড়েন। আর খাদ্যরসিকদের রসনাতৃপ্তির আয়োজন করেন। কিন্তু একটাই সমস্যা ছিল এতদিন, কম করে ১২ ঘণ্টা আগে খাবার অর্ডার করতে হবে। নইলে সময়ে খাবার মিলবে না। ক্রেতার সংখ্যা ক্রমশ বাড়তেই সংস্থা নতুন পদক্ষেপ করছে। জোমাটোর সঙ্গে ননিঘর গাঁটছড়া বেঁধেছে যাতে এক ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতার বাড়িতে খাবার পৌঁছে যায়।



একই সঙ্গে গরমের হাত থেকে বাঁচতে খাবারের মেনুতেও নতুন সংযোজন। তেতোর ডাল, টকের ডাল, পাতলা করে বিউলির ডাল-পোস্তর বড়া কিংবা পান্তা ভাত, শুক্তো— সব পাবেন এক ছাদের নীচে। বাড়তি পাওনা, রান্নাঘরে ঘরোয়া ভাবে বানানো। ফলে, শরীরখারাপের ভয় নেই। এবং একজনের রান্নাও এই সংস্থা তৈরি করে পৌঁছে দেয়। পাশাপাশি, যাবতীয় অনুষ্ঠান বাড়ির রান্নাও ন্যায্য মূল্যে মিলবে এখানে। প্রথম সারির ফুড ডেলিভারি অ্যাপের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধায় আগামীতে তার মাধ্যমেও অনুষ্ঠান বাড়ির রান্না পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।