বর্তমান সময়ে রান্নাঘরেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। যুগের সঙ্গে বদলেছে বাসনপত্রের ধরন। লোহা, অ্যালুমিনিয়ামের বদলে হেঁসেলের জায়গা দখল করেছে ননস্টিক। এতে রান্না করলে যেমন তেল কম লাগে, তেমনই চটজলদি রান্নাও হয়ে যায়। তাই আজকাল ননস্টিক পাত্র ব্যবহারের ঝোঁক বেড়েছে। মাছের ঝোল হোক থেকে পাঁচমেশালি চচ্চড়ি, ভাজাভুজি থেকে যে কোনও আমিষ-নিরামিষ তরকারি, সব রান্নাই ননস্টিক কড়াইতে করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন অনেকে।
ননস্টিক পাত্র নিয়ে বেশ অভিযোগও রয়েছে। অল্প দিনেই ননস্টিক পাত্রের উপরের পরত খুলে যায়, ফলে তা আর ব্যবহার করা যায় না। তবে একটু যত্ন নিলেই সাধের নন-স্টিকের পাত্রগুলি দীর্ঘ দিন ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ননস্টিক বাসন ব্যবহারের সময় যে বিষয়গুলি নজর দেবেন তা জেনে নেওয়া যাক।
• গরম ননস্টিক পাত্র ভুলেও জলের মধ্যে রাখলে চলবে না। গ্যাস থেকে নামিয়েই জলের মধ্যে রাখলে ননস্টিক পাত্রের উপরের পরত বা চটা উঠতে শুরু করে। পাত্রটি ঘরের তাপমাত্রায় আসার পরই ধুতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ ভুলেও মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ঢোকাবেন না এই পাঁচ খাবার! যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যাবে মারাত্মক বিপদ!
• নন স্টিক পাত্র খুব বেশি জোরে মাজা-ঘষা করবেন না। যদি কড়াইতে পোড়া দাগ লাগে তাহলে খানিকক্ষণ সাবান মাখিয়ে পাত্রটি রেখে দিন। তারপর হালকা সাবান জল দিয়ে মেজে নিন। তবে তারের জালি দিয়ে নয়, ননস্টিকের পাত্রের জন্য স্পঞ্জ বা কাপড়ের মতো নরম কিছু ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল।
• ননস্টিক কড়াইয়ে ভুলেও স্টিলের হাতা-খুন্তি ব্যবহার করবেন না। দীর্ঘদিন নন স্টিক পাত্র ভাল রাখতে হলে কাঠ কিংবা সিলিকনের হাতাই ব্যবহার করতে হবে। তাহলে আঁচড় পড়বে না।

• খুব বেশি আঁচে ননস্টিক পাত্রে রান্না করলে অল্প দিনের মধ্যে পরত উঠতে শুরু করে। তাই যে ধরনের রান্নাই করুন না কেন ননস্টিক কড়াই, ফ্রাইং প্যানের আঁচ কমিয়ে রাখতে হবে।
• ধোওয়ার পর মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে ননস্টিক পাত্র মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। একইসঙ্গে অন্য ধাতব বাসনপত্র থেকে আলাদা করে রাখার চেষ্টা করুন। এতে ননস্টিক পাত্রে আঁচড় পড়বে না।
















