আজকাল ওয়েব ডেস্ক: অনেকের প্রেম চুম্বকের মতো।বিপরীত মেরুতেই যত আকর্ষণ। উলটো স্বভাবের মানুষটাকেই যেন বেশি করে মন চায়।একজনের পছন্দ পাহাড় তো অপরের সমুদ্র।ইলিশ খেতে পছন্দ হলে একজনের, অপরজন চিংড়িতেই খুশি।
কিন্তু সম্পর্কের মধ্যেও মতের অমিল হওয়া তো তবে খুব স্বাভাবিক।কারণে-অকারণে মতবিরোধ হলে সামলাবেন কেমন করে? উপায় সবকিছুরই রয়েছে।তিলকে তাল না করে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন।
রাগ আর অভিমান সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু। সঙ্গীর কোনও কাজে আপনার রাগ বা অভিমান হয়ে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে রিঅ্যাক্ট করে ফেলবেন না।একটু আলাদা জায়গায় চলে যান। নিজের রাগ, ক্ষোভ, আবেগকে প্রশমিত হতে দিন।তাহলেই আপনি যুক্তি দিয়ে বিচার করতে সক্ষম হবেন।আপনি যেটা করতে পছন্দ করেন না, তা আপনার সঙ্গীর পছন্দ।ধরুন, আপনার প্রিয় অভিনেতা শাহরুখ খান।কিন্তু আপনার সঙ্গীর পছন্দ রনবীর কাপুর।কিছু সময় তর্কে না গিয়ে ইচ্ছে না থাকলেও ভালোবাসার মানুষটিকে সঙ্গ দিন।তার মন রাখতে একদিন ভোরে রনবীর কাপুরের ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখে নিতেই পারেন।
একান্ত দেখতে ইচ্ছে না করলে সেখানে বসে নিজের ইচ্ছেমতো অন্য কাজে মন দিতে পারেন।কিন্তু পাশাপাশি তো থাকা হবে!
জীবন তো প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তনশীল।পরিবর্তন যদি ভালোর জন্য হয়, আর ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে হয় তাকে আপন করে নিতে তো কোনও সমস্যা নেই।নতুনত্বকে ভয় না পেয়ে বরং তাকে মুক্ত মনে আলিঙ্গন করুন।খুব কাছাকাছি থাকলে সম্পর্ক তিক্ত হতে শুরু করে।উলটো দিকের মানুষটাকে একটু নিজের মতো থাকতে, স্পেস দেওয়া উচিত।এতে পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকে।
একে অপরের প্রতি সম্মান রাখুন।পরস্পরের পছন্দ-অপছন্দগুলোকে মর্যাদা দিন।খোলাখুলি কথা বলুন।নিজেদের পছন্দ-অপছন্দগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পর্কে ওঠা নামা থাকবেই, তাই একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখাটা খুব জরুরি।একে অপরের পাশে থেকে পরিস্থিতি যতই জটিল হোক, যতই বাধাবিপত্তি আসুক, পরস্পরের হাত শক্ত করে ধরে রাখুন।স্বার্থত্যাগ করুন।মনে অভিমান পুষে রেখে সম্পর্ককে আরো জটিল করা কোনোভাবেই উচিত নয়।দায়িত্ব নিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম শর্ত হল দায়িত্ব নেওয়ার সাহস।
















