আজকাল ওয়েবডেস্কঃ শীতকালের শুরুতেই বাচ্চাদের ঠান্ডা লাগা, শুকনো সর্দি কাশি, জ্বর হতেই থাকে। সঙ্গে পেটের সমস্যা তো দোসর আছেই। উৎসবের এই মরশুমে পিকনিক, ডে আউটিং এসবও চলতে থাকে। ফলে বাচ্চাদের অসুস্থ হয়ে পড়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদি ঠান্ডা পড়ার শুরুতেই তাদের দিন কিছু স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, যাতে ওদের ইমিউনিটি শক্তিশালী হয়ে ওরা থাকে সুস্থ ও চনমনে।
একটি পাত্রে অর্ধেক চামচ জোয়ান, গুড় ও হলুদগুঁড়ো নিন। সঙ্গে এক থেকে দু'ফোঁটা ঘি দিন। এক গ্লাস জল ঢেলে দিন। ভাল করে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে নামিয়ে নিন। ঈষৎ উষ্ণ গরম থাকতে বাচ্চাকে খাওয়াবেন এই মিশ্রণটি।
চার পাঁচটি তুলসী পাতা ও এক ইঞ্চি আদাকে খুব ভাল করে থেঁতো করে নিন। নিংড়ে রস বের করুন। এক চামচ মধু এই রসের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুর শীতে ঠান্ডা লাগার ভয় থাকবে না।
শরীর সুস্থ রাখতে সব সময় হাইড্রেট থাকা উচিত। আপনার সন্তানকে দিন অ্যালকাইন ওয়াটার। একটি ছোট কাচের বোতলে দুটি শশার স্লাইস ও দুই থেকে তিনটি পুদিনাপাতা এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। খাওয়ানোর আগে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। সারাদিন তিন থেকে চার বার দু'চামচ করে দিন। শরীরে জলের ঘাটতি হবে না।
এক গ্লাস পরিমাণ জলে এক চামচ মধু ও হাফ চামচ আদার রস মিশিয়ে নিন। দিনে দু'চামচ করে খাওয়ালে শরীর হাইড্রেট থাকবে।
বাচ্চার গ্যাস অম্বলের সমস্যা হলে সসপ্যানে এক কাপ জল ফুটতে দিন। হাফ চামচ জিরে ও দুটি এলাচ দিন। জল ফুটে অর্ধেক হলে ছেঁকে নিতে হবে। উষ্ণ গরম এই পানীয় দিনে দু'বার তিন চামচ করে দিন। পেটের গোলমাল কমে যাবে।
এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদগুঁড়ো, হাফ চামচ করে ঘি ও গোলমরিচগুঁড়ো মিশিয়ে নিন। অথবা এই এক গ্লাস দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রাখা খেজুর কাজুবাদাম পেষ্টও দিতে
















