আজকাল ওয়েবডেস্ক: সল্টলেকের করুণাময়ীর কাছে আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের দোতলায় আগুন লেগেছে। ইতিমধ্যেই, রোগীদের বের করে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

আচমকাই হাসপাতালের দোতলা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন পৌঁছেছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইতিমধ্যেই, হাসপাতালে ভিতরে পৌঁছেছেন দমকলকর্মীরা। আগুন নেভানোর পাশাপাশি রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। কী থেকে আগুন লাগল তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে রোগীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কিনা তাও খুঁজে দেখছেন দমকল কর্মীরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নেভেনি। এখনও পর্যন্ত হাসপাতালের দোতলার জানলা থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোচ্ছে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দোতলায় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। ধোঁয়া দেখেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কর্মী এবং রোগীদের মধ্যে। প্রাথমিক ভাবে হাসপাতালের কর্মীরাই ব্যবস্থা নেন।

এখনও পর্যন্ত হাসপাতালে তরফে সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে কোনও রোগীই ক্ষতির মুখে পড়েননি বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।

ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে গোটা হাসপাতাল চত্বর। হাসপাতাল থেকে রোগীদের পাশে ডিএল ব্লকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রোগীরা যাতে আতঙ্কিত হয়ে না পড়েন সে কারণে মাইকিং করা হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

জানা গিয়েছে, হাসপাতালে যখন আগুন লাগে সেই সময় ৭০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাদের প্রত্যেককে ডি-এল ব্লকের আনন্দলোকের হাসপাতালেই শিফট করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হাসপাতালে মোট ১৫টি ওটি হওয়ার কথা ছিল। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও রোগীর পরিবারের মধ্যে।

এদিন ওটি শুরু হয়েছিল সকালবেলা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, যখন আগুন লাগে সেই সময় ওটি চলছিল। কাচ ভেঙে বের করতে হয় রোগীদের। খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ছিল বলে জানিয়েছেন কর্মীরা।

তারপর দ্রুততার সঙ্গে দমকল কর্মী ও পুলিশের সহায়তায় রোগীদেরকে বের করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। আর যাতে আগুন ছড়িয়ে না পরে দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছেন।