আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুলিশি অনুমতি না মেলার অভিযোগ উঠেছিল। তারপরেই কালীঘাট তৃণমূল মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। মঙ্গল দুপুরে শুনানির পর, কালীঘাট-তৃণমূলকে শর্ত সাপেক্ষ মিছিলের অনুমতি দিল আদালত। সূত্রের খবর তেমনটাই। অর্থাৎ, সোমের পর, ফের বুধে, মমতার পথে নামার সম্ভাবনা।
বুধবার শহরের রাজপথে, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে ল্যান্স ডাউন মার্কেট পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতে যায় কালীঘাট তৃণমূল। মঙ্গলে শুনানিতে একগুচ্ছ শর্ত দিয়েছে আদালত। শর্ত মিছিলের সময় নিয়ে, লোকসংখ্যা নিয়েও। আবেদন জানানো হয়েছিল, প্রায় তিন ঘণ্টার মিছিলের। তবে আদালত দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দিয়েছে। সঙ্গেই জানানো হয়েছে, কর্মী-সমর্থক, অর্থাৎ ওই মিছিলের লোকসংখ্যা হতে হবে হাজারের মধ্যে। মিছিল বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শুরু হলেও, শেষ হতে হবে হাজরা মোড়ে। মিছিলের সময়, সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য, একটি লেন খোলা রাখতে হবে।
বারুইপুর কাণ্ডের পর, ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন মমতা ব্যানার্জি। তিনি নিজে যেতে চেয়েছিলেন রবিবারেই, তেমনটাই জানিয়েছিলেন নিজেও। পরে সোমবার সকালে, কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধিদল পৌঁছয় সেখানে এবং তাঁরা কলকাতায় ফিরতেই, পথে নামেন নেত্রী। মোমবাতি হাতে। মমতার মোমবাতি মিছিলে সঙ্গী দোলা-অপরূপা-প্রতিমারা।
স্লোগান ওঠে 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'আমার সুর, তোমার সুর, জাস্টিস ফর বারুইপুর', 'তোমার আমার একই সুর, জাস্টিস ফর বারুইপুর'। তবে ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি থেকে বেরিয়ে মিছিল গলির মোড়ে এলে, প্রাথমিকভাবে বাধা দেওয়া হয় মিছিলে। যদিও মমতা ব্যানার্জি কথা বলার পর, ছেড়ে দেওয়া হয়। নিজের এলাকাতেই মিছিল করেন মমতা ব্যানার্জি, মোমবাতি হাতে। ফের বুধে পথে নামছে কালীঘাট-তৃণমূল। ছাত্র-যুবদের ওই মিছিলে হাজির থাকবেন খোদ মমতা, জল্পনা তেমনটাই।















