তীর্থঙ্কর দাস
বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয় ১৯৯২ সালে আর সে বছরই শেখ আব্দুল হান্নান ঠাকুরপুকুর অঞ্চলে খোলেন "কারকো বেকারি"। বড়দিনের মুখে শহরের বিভিন্ন বেকারিতে ভিড় উপচে পড়ছে। কারকো বেকারি শহরের বাকি সব বেকারির থেকে অনেকটা আলাদা। বছরজুড়ে শহরের বেকারিগুলো কেকের ব্যবসা করে। সেই জায়গায় কারকো বেকারির কেক তৈরি কিন্তু বন্ধ থাকে সারাবছর। বড়দিনের আগে মাত্র ৭ দিনের জন্য খোলা হয় এই স্পেশাল ওভেন। অন্যসময় বিস্কুট, পাউরুটির মতন জিনিস তৈরি হয় এখানে। প্রতিবছর ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত প্রত্যেকের জন্য খুলে যায় কারকো বেকারির দরজা। ঠাকুরপুকুর, টালিগঞ্জ বেহালা অঞ্চলের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা নিজেদের মতন করে এসে এই বেকারিতে কেক বানান। নিজেরা কেক বানালে খরচা অনেকটাই কম হয় বলেই জানালেন স্টিফেন মন্ডল। চার বছর ধরে স্টিফেন মন্ডল এই বেকারিতে নিজের পছন্দসই কেক বানান। শহরের একাধিক বেকারিতে বৈদ্যুতিক উনুনে বানানো হয় কেক । কারকো বেকারিতে ২০২৩ সালেও মানা হচ্ছে ১৯৯২ সালের ঐতিহ্য। কাঠ পুড়িয়ে, কাঠের উনুনে তৈরি হয় কেক। কারকো বেকারির মালিক শেখ আব্দুল হান্নান বললেন, ভালোবেসেই তিনি এই বেকারি প্রায় ৩০ বছর চালিয়ে আসছেন। কেক তৈরির ঝক্কি সামলান শুধু এলাকার খ্রিষ্টান মানুষদের কথা ভেবে। তাদের বড়দিনের আনন্দ আর একটু বাড়ে কারকোর কাঠের ওভেনের আঁচে।
বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয় ১৯৯২ সালে আর সে বছরই শেখ আব্দুল হান্নান ঠাকুরপুকুর অঞ্চলে খোলেন "কারকো বেকারি"। বড়দিনের মুখে শহরের বিভিন্ন বেকারিতে ভিড় উপচে পড়ছে। কারকো বেকারি শহরের বাকি সব বেকারির থেকে অনেকটা আলাদা। বছরজুড়ে শহরের বেকারিগুলো কেকের ব্যবসা করে। সেই জায়গায় কারকো বেকারির কেক তৈরি কিন্তু বন্ধ থাকে সারাবছর। বড়দিনের আগে মাত্র ৭ দিনের জন্য খোলা হয় এই স্পেশাল ওভেন। অন্যসময় বিস্কুট, পাউরুটির মতন জিনিস তৈরি হয় এখানে। প্রতিবছর ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত প্রত্যেকের জন্য খুলে যায় কারকো বেকারির দরজা। ঠাকুরপুকুর, টালিগঞ্জ বেহালা অঞ্চলের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা নিজেদের মতন করে এসে এই বেকারিতে কেক বানান। নিজেরা কেক বানালে খরচা অনেকটাই কম হয় বলেই জানালেন স্টিফেন মন্ডল। চার বছর ধরে স্টিফেন মন্ডল এই বেকারিতে নিজের পছন্দসই কেক বানান। শহরের একাধিক বেকারিতে বৈদ্যুতিক উনুনে বানানো হয় কেক । কারকো বেকারিতে ২০২৩ সালেও মানা হচ্ছে ১৯৯২ সালের ঐতিহ্য। কাঠ পুড়িয়ে, কাঠের উনুনে তৈরি হয় কেক। কারকো বেকারির মালিক শেখ আব্দুল হান্নান বললেন, ভালোবেসেই তিনি এই বেকারি প্রায় ৩০ বছর চালিয়ে আসছেন। কেক তৈরির ঝক্কি সামলান শুধু এলাকার খ্রিষ্টান মানুষদের কথা ভেবে। তাদের বড়দিনের আনন্দ আর একটু বাড়ে কারকোর কাঠের ওভেনের আঁচে।
















