আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগামী সোমবার সুজিত বসুকে তলব করল ইডি। পাশাপাশি বুধবার খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকেও তলব করা হয়েছে। এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুর বাড়ি, অফিস, ছেলের রেস্তোরায় তল্লাশি চলেছিল ইডি। সেই সময় সুজিত বসুর স্ত্রী,মেয়ে,ছেলে, জামাইকেও এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতেও এর আগে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। এবার ভোটের আগে রথীন ঘোষকেও ফের একবার তলব করল ইডি।


প্রসঙ্গত, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই মামলায় অভিযুক্ত অয়ন শীল-সহ বেশ কয়েকজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে ইডি। তদন্তের সূত্র ধরেই গত বছর অক্টোবরে লেকটাউনে মন্ত্রী সুজিত বসুর দুটি বাড়ি এবং তাঁর দপ্তরে হানা দেয় ইডি আধিকারিকরা। তখন মন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র বসুর ধাবাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ওই অভিযানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।


স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। পরে তাঁর সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট। সেখান থেকেই পুরসভার নিয়োগেও দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। অয়নের সংস্থা পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআরের দায়িত্বে ছিল। তদন্তে নেমে একে একে আরও অনেককে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। পরে এই মামলায় অবৈধ ভাবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও।


অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ মধ্যমগ্রাম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন মন্ত্রী রথীন ঘোষ। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম উঠে আসে। 

 

&t=2s
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই ও ইডি-কে তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেপ্টেম্বর মাসে উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুরসভার কর্মী ও আধিকারিকদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২০১৪ সালের পর থেকে যে সমস্ত নিয়োগ হয়েছে, তা নিয়েই মূলত তদন্তে নামে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ফের একবার পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের এই দুই মন্ত্রীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।