আজকাল ওয়েবডেস্ক: সভা হবে কোনখানে? প্রশ্ন এখন তা নিয়েই। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে, মঞ্চ বেঁধে এতদিন সভা করত তৃণমূল কংগ্রেস। এবার জোড়াফুলের, জোড়া শিবির। দু'পক্ষই দাবি জানিয়েছিল, ওই একই জায়গায় সভা করার। যদিও মঙ্গলে একপ্রকার সাফ হয়ে যায়, পুলিশ, ওই জায়গায়, কোনও শিবিরকেই সভার অনুমতি দিচ্ছে না।
কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এদিন ২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা প্রসঙ্গে সাফ জানান, 'ওখানে সাধারণত ১৪৪ ধারা জারি থাকে। কোনও মিটিং-মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয় না। ওখানে কোনও মিটিং-মিছিলের অনুমতি দেওয়ার প্রশ্ন নেই।' পরিবর্তিত জায়গা নিয়ে সিদ্ধান্ত কী হবে? অজয় নন্দ জানান, যাঁরা সভা করতে চান, তাঁরা দাবি জানালে, তারপর হবে আলোচনা।
তবে কালীঘাট তৃণমূল এবং টিম ঋতব্রত কেউই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। তবে দু'পক্ষ এক বক্তব্যে এক, তারা ২১ জুলাই, শহিদ দিবস পালন করবেই। মঙ্গলবার, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, ঋতব্রত শিবিরের আখরুজ্জামান জানান, তাঁরা পরিবর্তিত স্থানের খোঁজ করবে।
তিনি বলেন, '২১ জুলাই প্রতি বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পালন করে থাকি। তৃণমূল কংগ্রেসের আবেগ, শহিদ দিবস, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে বন্ধ করতে চাইছে। দুর্ভাগ্যের বিষয়। আশা করেছিলাম সরকার অনুমতি দেবে।' পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তিনি জানান, 'এটি সারা বাংলার কর্মসূচি। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের, কর্মসমিতিত ৩০ জন একসঙ্গে বসে, আলোচনার পরে, পরবর্তী জায়গা স্থির হবে।'
তৃণমূল জমানা, মমতার জমানার শহিদ দিবসকেও কটাক্ষ করেছেন আখরুজ্জামান। নায়ক-নায়িকা পরিবেষ্টিত শহিদ দিবসের পুনরাবৃত্তি হবে না, ঋতব্রত শিবিরের শহিদ দিবসে, সেই বার্তাও দেন তিনি। অন্যদিকে সূত্রের খবর, কালীঘাট তৃণমূল বদ্ধপরিকর, পুরনো জায়গাতেই মিছিল করার। সূত্রের খবর, লোক সংখ্যা যতই হোক, সেখানেই তাঁরা সভা করতে চান। যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য সামনে আসেনি।















