আজকাল ওয়েবডেস্ক: পূর্বপরিকল্পনা মতো সোমবার বিকেলে বৈঠক বসল নবান্ন সভাঘরে। ১০জনের বদলে ১৭ জন জুনিয়র চিকিৎসক গেলেন নবান্নয়। সকলকে অনুমতি দেওয়া হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বৈঠকে বসলেন এবং দু’ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জুনিয়র চিকিৎসকদের সব কথা শুনলেন। কার্যত সমস্ত দাবিতে অনিকেত-দেবাশিস-কিঞ্জলদের সঙ্গে ঐক্যমতে পৌঁছলেন। রাজ্যের মানুষকে যাতে সুস্থ ও সুন্দর স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার বিষয়ে হাতে-হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দিলেন। সব মিলিয়ে জট কাটার উজ্জ্বলতম সম্ভাবনা দেখা দিল এই আলোচনার পরেই।

বৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়র চিকিৎসকদের থেকে দাবি-দাওয়া শুনতে চান। তার আগে জানতে চান, অনশনরত চিকিৎসকদের শারীরিক অবস্থার কথা। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকদের দেবাশিস হালদার একে একে সব দাবি দাওয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। একে একে কথা বলেন জুনিয়র চিকিৎসক আন্দোলনের মুখ কিঞ্জল নন্দ, অনিকেত মাহাতো থেকে শুরু করে সকলে। প্রায় প্রত্যেক প্রতিনিধির কথাই বিস্তারিত শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সব দাবি-দাওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা করার পর রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ সমস্ত বিষয়ে উত্তর দেওয়া শুরু করেন।

সরকারের পক্ষে মুখ্যসচিব জানান নির্বাচন থেকে শুরু করে রাজ্য টাস্ক ফোর্স,  কলেজ পর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্রতিটি কলেজে আইসিসি এবং গ্রিভান্স সেল তৈরির ব্যাপারে রাজ্য সরকারের স্বদিচ্ছা এবং তৎপরতার বিষয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের ওয়াকিবহাল করান। বৈঠকের মাঝে বারংবার নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে সেসব বিষয়ে আলোচনা হবে টাস্ক ফোর্সে, জানিয়ে দেয় সরকার পক্ষ।

জুনিয়র চিকিৎসকদের তাঁদের দায়বদ্ধতার কথা মনে করালেন মমতা। একই সঙ্গে জানান, রোগী কল্যাণ সমিতিতে থাকবে জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্ব। একই সঙ্গে আরজি করেরে  ৪৭ জনকে সাসপেন্ড  নিয়েও কথা বলেন মমতা। আরজি করেরে অধ্যক্ষকে বলেন, ‘আমাদের না জানিয়ে করেছেন।কার কী অপরাধ এনকোয়ারি কমিটি সেটা বিবেচনা করে দেখব।‘