বিউ সরকার: রাজ্যে পালাবদলের পরই একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদের ঘটনা সামনে এসেছে। কখনও দমদম, কখনও যাদবপুর। রেলের জমির বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার। এ বার তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি।
রাজ্যে সরকার বদলের পর প্রতি শনিবার 'জনতার দরবার'-এর আয়োজন করা হয়।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সল্টলেকে বিজেপির সদর দফতরেই সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন। এ বার সেখানেই উপস্থিত হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি। সরকারের কাছে তাদের দাবি ছিল, যাতে আর কোথাও হকার উচ্ছেদ না করা হয়। এই প্রথম কোনও হকার কমিটি এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে এই বিষয়ে কথোপোকথন হয়।
হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির রাজ্য সভাপতি অসিত সাহা জানিয়েছেন, আলোচনা বেশ ইতিবাচক। তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। রেলের জায়গাগুলি বাদ দিয়ে রাস্তার ধারে যে হকাররা রয়েছেন, সেই জায়গা নিয়ে কথা হয়েছে।" তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বাস দিয়েছে পুজো পর্যন্ত ওই জায়গাগুলিতে কোনওরকম হকার উচ্ছেদ করা হবেনা। কোনও জায়গার উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হলেও সে জায়গায় উচ্ছেদ হবে না। বিপদ্দজনক জায়গাগুলি থেকে হকার উচ্ছেদের পর তাঁদের কোথাও পুনর্বাসন দেওয়া হতে পারে বলেও আশ্বাস দেওয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে জানিয়েছেন অসিত।
অসিত জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আগামী সপ্তাহেই পুরো ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাজ্যের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। হকারদের জন্য আয়ুষ্মান ভারত-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প বরাদ্দ রয়েছে, সেই সুবিধা দেওয়ার জন্য গড়ে তোলা হবে স্টেট মনিটিরিং কমিটিও। বৈঠকের আগে যাঁদের উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাঁদের একটি তালিকা তৈরি করা হবে। ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম আছে কিনা, তা-ও মিলিয়ে দেখা হবে। এরপরই অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে তাঁরা বৈঠকে বসবেন।
















