দীক্ষা ভুঁইয়া: তারাতলা কাণ্ডের মতো কোনও বিপর্যয় ঘটলে আগামীদিনে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি একসঙ্গে কাজ করবে। ফের একবার জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুধু তাই নয়, বিগত তৃণমূল সরকারের জমানায় বড় বড় বিপর্যয়ে একসঙ্গে হাত না মিলিয়ে কাজ করার জন্য যে অনেক জীবন দিতে হয়েছে সেটাও নাম না করে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

গত ২৪ জুন তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউন ভেঙে পড়ে। একাধিক শ্রমিক চাপা পড়লে তড়িঘড়ি সেনা এবং এনডিআরএফ পুলিশ এবং দমকলের সঙ্গে কাজ করায় ১৭ জনের প্রাণ বাঁচানো গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এই কাজ সম্ভব হয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সংস্থা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য।
আর ভবিষ্যতেও মানুষের জীবন বাঁচাতে রাজ্য সরকার এই ভাবেই কাজ করবে সেটা পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি আধুনিক প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম কেনার জন্য। পাশপাশি বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য ২০০ অগ্নিবীর বা অবসরপ্রাপ্ত এনডিআরএফ, সিভিল ডিফেন্স সদস্যদের নিয়ে তিনটি ইউনিট তৈরি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পার্বত্য এলাকা তথা উত্তরবঙ্গ, কলকাতা এবং সাগরে এই তিনটি ইউনিট তৈরি করা হবে।"
শুধু তাই নয় এ ধরনের বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে এনডিআরএফ এবং আর্মির পাশাপাশি সিভিল ডিফেন্স এবং অবশ্যই পুলিশের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল তারাতলার বিপর্যয় কাণ্ডে উদ্ধারকারী সকল বাহিনীর সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়ার অনুষ্ঠানে। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য উঠে আসে।
















