আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডিজে মন্তব্য, তার জেরে গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ। তাতে শান্তি মিলছে না। এই মামলায় সিআইডি'র কাছে হাজিরাও দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে বিরোধিতা করছেন কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশে। অভিষেকের দাবি, তিনি অস্বীকার করেননি, ওই মন্তব্য তাঁর নয়। তিনি স্বীকার করেছেন। তাহলে কেন কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ?
৩০ জুন এই মামলায় তাঁকে বিধাননগর আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে ৩০ জুন অভিষেকের আর্জির শুনানি ছিল আদালতে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। ৩০ জুনের তলবে সাড়াও দেননি তৃণমূল সাংসদ। ৩ জুলাই এই মামলায় আদালতে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন। যদিও আর্জিতে সাড়া দেয়নি আদালত। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। মঙ্গলে ফের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য জানানো হয়।
মঙ্গলবার অভিষেক ব্যানার্জির আইনজীবীরা ফের এই মামলায় দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে তাত স্বস্তি মিলল না সাংসদের। সূত্রের খবর, এদিন অভিযোগ ওঠে, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না অভিষেক। ডিজে মন্তব্য মামলায় কেন সহযোগিতা করছে না মামলাকারী? তদন্তের স্বার্থে কণ্ঠস্বর নমুনা দিক, তেমনতাই জানান বিচারপতি। DJ মন্তব্যে কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ মামলায় দ্রুত শুনানি চেয়ে আবার কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর। মঙ্গলবার তাঁর আইনজীবীরা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ আদালতে। রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার জানান, আদালতের নির্দেশ ছিল তদন্তে অভিষেককে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু কণ্ঠস্বর পরীক্ষার নির্দেশ থাকলেও তিনি আসছেন না। তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, মামলাকারী অভিষেকের রক্ষাকবচ রয়েছে। কেন তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন না? কণ্ঠস্বরের নমুনা দিক তদন্তকারীদের। সূত্রের খবর তেমনটাই।
সব্যসাচী বন্দোপাধ্যায়, অভিষেকের আইনজীবী বলেন, কণ্ঠস্বরের কী প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? আমরা ওই নিম্ন আদালতের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করছি। এটা তাঁরই কণ্ঠস্বর। অভিষেকের স্বীকারোক্তির পরেও কেন এই নমুনা সংগ্রহ, তা নিয়েই প্রশ্ন। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। অন্যদিকে, ডিজে মামলায় ৮জুলাই পুনরায় হাজিরা দিতে হবে অভিষেককে।















