আজকাল ওয়েবডেস্ক: একই অফিসে কাজ করেন সেই সূত্রে বন্ধুত্বতা। সহকর্মীরা, ঠাট্টাচ্ছলে প্রায়ই বলতেন, তিনি এখানকার নয়। চেহারায় নেই এতোটুকু মিল। রোজ এরকম লেগপুলিং শুনতে গিয়ে একদিন সেই মহিলার মনে হল একবার ডিএনএ টেস্ট করেই দেখা যাক। তাতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর চীনে। 

 

 

 

ওই মহিলা হেনান প্রদেশের জিনজিয়াং -এর বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, তিনি বরাবরই ওই প্রদেশে বসবাস করতেন। কিন্তু অফিসে যোগ দেওয়ার পরই সহকর্মীরা বলতে শুরু করেন, তিনি মোটেই বাকিদের মতো দেখতে নয়। ওই মহিলার চওড়া নাক, ঘন ঠোঁট এবং বড় এবং গভীর চোখ রয়েছে। হেনানের লোকেরা মোটেই এরকম দেখতে না। রোজ একই কথা শুনতে গিয়ে ওই মহিলা চিন্তায় পড়ে যান। সিদ্ধান্ত নেন ডিএনএ টেস্টের। এরপরই জানা যায়, সে তার পিতামাতার জৈবিক কন্যা নয়। এমনকী উঠে আসে, তিনি সম্ভবত চীনের সুদূর দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গুয়াংজি প্রদেশ থেকে এসেছেন।

 

 

 

তিনি এই ঘটনার কথা বলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঘটনা শেয়ার হয় প্রচুর পরিমাণে। এরপরই সেই পোস্ট দেখতে পান গুয়াংজির একজন মহিলা, যার নাম কিউ। তাঁর সন্দেহ হয় যে দীর্ঘদিনের হারিয়ে যাওয়া মেয়ে কী না। যদিও মুখের মিল রয়েছে প্রচুর। তবে অবশ্য জানা যায়নি, ওই মহিলাই তাঁর জৈবিক মা কি না। 

 

 

 

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক পরিবার শুধুমাত্র মজা করার জন্য একটি ডিএনএ পরীক্ষা করে। তাতে উঠে আসে তাদের কনিষ্ঠ পুত্র জেনেটিক্যালি তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সে সময় সেটা নিয়ে হইচই হয়েছিল। পরে উঠে আসে আসল সত্যি। ২০০৮ সালে, গর্ভধারণের জন্য ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের সাহায্য নিয়েছিলেন মহিলা। কিন্তু সে কথা জানতেন না স্বামী।