আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ বেড়েছে। সংঘর্ষবিরতি বজায় থাকার কথা ইজরায়েল এবং লেবাননেও। কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার। দুই দেশই সুযোগ পেলেই একে অপরের উপর হামলা চালাচ্ছে। শুক্রবারই ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, লেবাননে ইজরায়েলি হানায় এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননে হামলার এই ঘটনা ঘটে। হামলার আগে বেশ কয়েকটি এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইজরায়েরলের সামরিক বাহিনী। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, হাব্বুশ এলাকায় বিমান হানায় আটজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা ২১। অন্য দিকে, জ্রারিয়েতে পৃথক বিমানা হানায় মৃত চার জন। পাশাপাশি, আহত হয়েছেন চার জন। আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইজরায়েলি হামলায় মার্চ মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ২,৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, দিন তিনেক আগেই লেবাননে হামলা চালায় ইজরায়েল। অভিযোগ ছিল, জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লা ইজরায়েলে হামলার ছক কষছিল। তা বুঝতে পেরেই ইজরায়েলের বায়ুসেনা জঙ্গি গোষ্ঠীর উপর আক্রমণ চালায়। হামলায় তিনজন জঙ্গী মারা গিয়েছে বলে দাবি করে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ।
অন্য দিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল তা সমাপ্ত বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। গত ৭ এপ্রিল থেকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আর কোনও গোলাগুলির বিনিময় হয়নি। মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি লিখে শুক্রবার এমনই দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুক্রবারই যুদ্ধের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখনও ট্রাম্প তা পাননি। তাই শুক্রবার কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গে চিঠিটি লিখেছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই দাবিই সার। ইরান ও আমেরিকা- দু'পক্ষের মধ্যে এখনও চাপানোতোর চলছে। হরমুজ ঘিরে কাটেনি জটিলতা। আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। সে ক্ষেত্রেও তেমন সাফল্য আসেনি। ইসলামাবাদে আয়োজিত প্রথম দফার বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। তার পর থেকে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দু’পক্ষের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদেও গিয়েছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে আলোচনার কোনও ঘোষণা হয়নি।















