আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্বামীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে তিতিবিরক্ত হয়ে চরম পথ বেছে নিলেন এক স্ত্রী। তবে খুনের পদ্ধতি এতটাই রোমহর্ষক যে তা শুনে শিউরে উঠছেন নেটিজেনরা। সম্প্রতি ঘানাউয়েব-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জনৈক এক মহিলা তাঁর স্বামীকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন। ওই মহিলার দাবি, তিনি তাঁর স্তনবৃন্তে বিষ মাখিয়ে রেখেছিলেন এবং শারীরিক মিলনের সময় সেই বিষক্রিয়াতেই মৃত্যু হয় তাঁর স্বামীর।
সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ডেভিড পাপা বন্দজে-মবীরের ফেসবুক ইনবক্সে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৪ জন বিবাহিত মহিলা তাঁদের জীবনের গোপন কথা শেয়ার করেন। সেখানেই এক মহিলা জানান, তাঁর প্রথম স্বামী প্রতিনিয়ত তাঁকে ঠকাচ্ছিলেন। সেই যন্ত্রণার বদলা নিতেই তিনি এক মারাত্মক ফন্দি আঁটেন। তিনি বাজার থেকে এমন এক বিষ সংগ্রহ করেন যার কোনো রং, গন্ধ বা স্বাদ নেই। এরপর নিজের লোশনের সঙ্গে সেই বিষ মিশিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে স্তনবৃন্তে মেখে নেন। তিনি জানতেন সঙ্গমের সময় তাঁর স্বামী কোথায় মুখ দেবেন। পরিকল্পনা মাফিক তাঁর স্বামী যখন তাঁর সংস্পর্শে আসেন, লালার মাধ্যমে সেই বিষ শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে বিছানায় লুটিয়ে পড়েন তিনি।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল, ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও আসল কারণ ধরা পড়েনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত লিভারের সমস্যার কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। এমনকি পরিবারের লোকেরাও ঘুণাক্ষরেও টের পাননি যে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বর্তমানে ওই মহিলা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন, কিন্তু সেখানেও তাঁর স্বামী তাঁকে ঠকাচ্ছেন বলে তাঁর অভিযোগ। নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখতে তিনিও এখন পরকীয়ায় লিপ্ত। তবে তাঁর বর্তমান স্বামীর প্রতিও ওই মহিলার হুঁশিয়ারি অত্যন্ত ভয়ংকর। তিনি জানিয়েছেন, দ্বিতীয় স্বামীর ওপরও তিনি কড়া নজর রাখছেন এবং সুযোগ বুঝে তাঁর ক্ষেত্রেও হয়তো একই পরিণতির অপেক্ষা করছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই নীতি-নৈতিকতা এবং সম্পর্কের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। কেউ কেউ বিষয়টিকে কেবলই 'ফ্যান্টাসি' বা গল্প বলে উড়িয়ে দিলেও, এই স্বীকারোক্তি যে আধুনিক দাম্পত্য জীবনের এক অন্ধকার দিককে তুলে ধরেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
















