আজকাল ওয়েবডস্ক: বিবাহ এবং সন্তানের জন্ম এই দুইদিক থেকেই পিছিয়ে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাই এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার বিশেষ উপায় বের করেছে সেখানকার সরকার। ২০২৩ সালের একটি রিপোর্ট অনুসারে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিগত ১০ বছরে বিয়ে এবং জন্মের হার কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। সেখানকার বর্তমান ট্রেন্ড হল বিবাহে দেরি করা বা বিবাহ না করা।
এই অবস্থায় সেদেশে নারীর সংখ্যা কমে গিয়েছে সবথেকে বেশি। সমীক্ষা থেকে দেখা গিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতে বর্তমানে নারীদের জন্মহার ০.৭২ শতাংশ হারে কমেছে। এই হার গোটা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে কম। ফলে দেশের জনসংখ্যার বিকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা একটি হিসাব থেকে দেখেছেন দক্ষিণ কোরিয়াতে প্রতিটি কাজের জায়গায় দীর্ঘসময় ধরে সকলকে কাজ করতে হচ্ছে। ফলে সেখানে অনেকটা সময় চলে যাচ্ছে।
এরপর বাকি সময়টা নিজের বিশ্রামের জন্য রেখে দিচ্ছেন সেখানকার নারী এবং পুরষরা। ফলে বিয়ে করার দিকে আর তারা জোর দিতে চাইছেন না। এমনকি যদি কেউ বিয়ে করেও নেন তাহলে তিনি সন্তান জন্ম দেওয়া বা তাকে বড় করার মতো কাজগুলি থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখছে। দক্ষিণ কোরিয়া সরকার তাই দ্রুত ডেটিংয়ের ব্যবস্থা করছে সকল অবিবাহিতদের জন্য।
সেখানে গিয়ে যেন তারা দ্রুত একে অপরের সঙ্গে মিশতে পারেন এবং বিয়ে করার সময় পান সেদিকেও জোর দিয়েছে সেখানকার সরকার। এমনকি বিয়ের পর সন্তানের জন্য তারা যেন বাড়তি সময় দিতে পারেন সেদিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। সেদেশের মেয়র এজন্য বিশেষ কয়েকটি জায়গা বেছে দিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সকল অবিবাহিতরা বিনা পয়সায় মদ, চকোলেট খেযে যেন একে অপরের সঙ্গে মিশতে পারেন সেদিকে জোর দেওয়া হয়েছে।
