আজকাল ওয়েবডেস্ক: সীমান্তে ফের চাঞ্চল্য। আবারও পাকিস্তানের বিমান হামলায় প্রশ্নের মুখে আফগানিস্তানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি। আচমকা সোমবারের এই হামলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ মানুষের বাসস্থান কার্যত কেঁপে ওঠে। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত সাত জন। আহতের সংখ্যা ৮৫।
তালেবান প্রশাসনের দাবি, চীনের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরুর পর এটাই পাকিস্তানের প্রথম বড় হামলা। গত অক্টোবর থেকেই দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। মাঝখানে পরিস্থিতি কিছুটা থিতু হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি থেকে ফের নতুন করে সঙ্ঘাত শুরু হয়।
তালেবান মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের আসাদাবাদে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং 'সৈয়দ জামালউদ্দিন আফগানি বিশ্ববিদ্যালয়' লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে পাক ফৌজ। এই ঘটনাকে 'ক্ষমাহীন অপরাধ' বলে দেগে দিয়েছে আফগানিস্তান। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বহু মহিলা, শিশু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, অন্তত ৩০ জন ছাত্র ও অধ্যাপক এই হামলায় আহত হয়েছেন।
পাল্টা ময়দানে নেমেছে পাকিস্তানও। সে দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক সাফ জানিয়েছে, তালেবানের এই অভিযোগ 'ডাহা মিথ্যা'। তাদের দাবি, পাক সেনা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়নি।
প্রসঙ্গত, চিন ও তুরস্ক-সহ একাধিক দেশের চেষ্টায় ইদের সময় দুই দেশ সাময়িক শান্তিতে রাজি হয়েছিল। এর আগে কাবুলে পাকিস্তানের এক হামলায় ৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
আগের ক্ষতের রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবারের এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চীনা বিদেশ মন্ত্রক দুই পক্ষকে নিয়ে ফের আলোচনায় বসার কথা বলেছে। তবুও এই ঘটনায় ওয়াকিবহাল মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে৷















