আজকাল ওয়েবডেস্ক: হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন রণকৌশলের পথে হাঁটছে ইরান। বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিবৃতিতে দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা মোজতবা খামেনেই এই বার্তা দিয়েছেন।

সূত্রে খবর, খামেনেই জানিয়েছেন, তেহরান গায়ে পড়ে যুদ্ধ করতে চায় না, কিন্তু নিজেদের অধিকার রক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সমস্ত ‘প্রতিরোধ বাহিনী’ যে একজোট হয়ে লড়াই করবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুমকির পর চলতি সপ্তাহেই আমেরিকার সঙ্গে দু’সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান। লক্ষ্য একটাই- আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ খোঁজা। তবে যুদ্ধবিরতি চললেও দেশের মানুষকে রাজপথ না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন খামেনেই। তাঁর মতে, আলোচনার টেবিলে ইরানের পাল্লা ভারী করতে সাধারণ মানুষের এই প্রতিবাদী মেজাজ বড় ভূমিকা নেবে।

এদিকে লেবানন সীমান্তে পরিস্থিতি এখনও থমথমে। বুধবার ইজরায়েলি হানায় লেবাননে ৩০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমান এই যুদ্ধের আবহে যা ভয়াবহতম দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

হিজবুল্লার ওপর হামলা চলতে থাকলে ইরান ‘কড়া জবাব’ দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, লেবাননে কোনও যুদ্ধবিরতি হচ্ছে না এবং হিজবুল্লা দমনে অভিযান জারি থাকবে।

তবে সব ছাপিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে। বাবার মৃত্যুর সময় তিনিও আহত হয়েছিলেন বলে খবর। দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও ইরানের দাবি, তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। প্রামাণ হিসেবে তাঁর কিছু ছবি প্রকাশ করা হলেও সেগুলো ঠিক কতদিন আগের, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব কাটেনি।