আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। আগামী কয়েক ঘণ্টায় বিভিন্ন জেলায় বজ্রঝড়ের সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
2
10
এর ফলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে ঝড়ের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
3
10
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সব জেলায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
4
10
ঝড়ের সময় গাছপালা উপড়ে পড়া, দুর্বল কাঠামোর ক্ষতি হওয়া এবং বিদ্যুৎ পরিষেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি জেলায়ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
5
10
এই এলাকাগুলিতে বাতাসের গতিবেগ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারে। তবুও বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার কারণে সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
6
10
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও একই ধরনের আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।
7
10
এই জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। পাহাড়ি এবং সমতল উভয় এলাকাতেই আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
8
10
আবহাওয়াবিদদের মতে, বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় আবহাওয়াগত অবস্থার কারণে এই বজ্রঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ঝড়ের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
9
10
বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া, খোলা মাঠ এড়িয়ে চলা এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে আবহাওয়া দফতরের পরবর্তী বুলেটিন অনুসরণ করার জন্যও সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।
10
10
সামগ্রিকভাবে, দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী সময়ে প্রতিকূল আবহাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সতর্ক ও সচেতন থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।