আজকাল ওয়েবডেস্ক: সময়ের সঙ্গে স্তিমিত হওয়ার কোনও লক্ষণ নেই। একে অপরের উপর হামলা চালাচ্ছে ইরান-ইজরায়েল। এই দুই দেশের সংঘাতে বড় প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের উপরে, চিন্তার ভাঁজ তা নিয়েও।

এর মাঝেই আইডিএফ অর্থাৎ ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আইডিএফের সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের সাহায্যে আইএএফের যুদ্ধবিমান তেহরানে হামলা চালায়, যেখানে যেখানে ইরানের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা থাকতেন। 

ওই হামলায় আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান মহম্মদ কাজেমি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আইডিএফ। আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার ডেপুটি হেড মহম্মদ হাসান মোহাকিক নিহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে ইজরায়েল। এছাড়া প্রাণ গিয়েছে মহম্মদ বাকরি এবং আবু-আল ফাদিলের। 

ইজরায়েলের দাবি, এই চার কর্মকর্তা ইজরায়েল, পশ্চিমা বিশ্ব এবং আঞ্চলিক দেশগুলির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলার মূল মাথা ছিলেন। এর আগে, ১৩ জুন আইডিএফ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল আইআরজিসির সদর দপ্তরে হামলায় মৃত্যু হয়েছে রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি, আইআরজিসির কমান্ডার এবং ইরানের এমারজেন্সি কমান্ডের কমান্ডারের।

 

দুই দেশের যুদ্ধ প্রসঙ্গে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইজরায়েলের এই হামলা বহু বছরের গোয়েন্দা তথ্য ও অন্তর্দৃষ্টি নির্ভর। বহু পরমাণু বিজ্ঞানী ও উচ্চপদস্থ সামরিক নেতার মৃত্যু ঘটেছে এসব হামলায়।তেলআবিভ-ভিত্তিক জাতীয় নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ড্যানি সিত্রিনোভিচ বলেন, “এই হামলা শুধু তথ্যভিত্তিক নয়, ইজরায়েলের প্রভাবশালী সামরিক দক্ষতার প্রমাণও।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েল সম্ভবত ইরানের অভ্যন্তরে একাধিক গোপন সেল তৈরি করে রেখেছে, যেগুলি যে কোনো সময় সক্রিয় হতে পারে।

?ref_src=twsrc%5Etfw">June 16, 2025

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।