আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবার আর সীমান্তে হামলা নয়। ভারতের মধ্যে ঢুকে ভয়ঙ্কর হামলা করবে পাকিস্তান। আগেভাগেই সতর্ক করা হল। এবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মুখে কলকাতার নাম। খোদ মন্ত্রীই জানালেন, এবার টার্গেট কলকাতা। অর্থাৎ বিরাট হামলার ছক কি তিনিই ফাঁস করে দিলেন? 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ লাহোর থেকে ১৩০ কিমি দূরে সিয়ালকোটে এক সাংবাদিক বৈঠকে হুমকি দিয়ে বলেন, "এবার ভারত যদি মিথ্যে অজুহাতে পাকিস্তানে হামলা করার সাহস দেখায়, তাহলে কলকাতা অবধি বিষয়টি গড়াবে।" 

 

সম্প্রতি খাওয়াজা আসিফ আরও জানিয়েছেন, "ভারত যদি আমাদের দেশে ঢুকে কাউকে মারার পরিকল্পনা করে, তবে আমরাও আর চুপ থাকব না। আমাদেরও ভারতের ঘরে ঢুকে মারার ক্ষমতা আছে।" 

 

শনিবার আসিফ আরও দাবি করেছেন, ভারতে নাকি শীঘ্রই হামলা হতে পারে। তবে এই ষড়যন্ত্র ভারত নিজেই করেছে। মিথ্যে অজুহাতে এই হামলা করে, গোটাটাই সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করবে ভারত। যদিও এই বিষয়ে তিনি কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। 

 

 পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, "যদি ভারত এমন পরিকল্পনা করে থাকে, তাহলে গত বছরের চেয়েও বড় অপমানের মুখোমুখি হতে হবে তাদের। এবার যুদ্ধ আর ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আমরা ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, তাদের ঘরে ঢুকে হামলা চালাব।" 

 

গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরেই ভারত-পাকিস্তানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুতে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। 

'অপারেশন সিঁদুর'-এর মাধ্যমে ভারতের প্রত্যাঘাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে যায়। দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের আবহে দেশের একাধিক শহরে ব্ল্যাক আউট, হাই অ্যালার্ট জারি ছিল। 

 

অবশেষে ১০ মে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করে ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু তারপরেও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান জারি ছিল ভারতের সেনাবাহিনীর। পহেলগাঁও কাণ্ডের পর গত জুলাই মাসে ‘অপারেশন মহাদেব’ -এর মাধ্যমে পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিন জঙ্গিকে খতম করে সেনাবাহিনী। এর কয়েকদিন পরেই কাশ্মীরের কুলগাম এলাকায় ‘অপারেশন অখল’ চালিয়েছিল সেনা। গুলির লড়াইয়ে সেখানে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।