আজকাল ওয়েবডেস্ক: শনিবার রাতে ইরানে হামলা করার পরিকল্পনা ছিল ইজরায়েলের। কিন্তু তড়িঘড়ি সাতসকালে হামলা। হামলায় মৃত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই। পরবর্তী পরিস্থিতি আরও জটিল।

তবে এসবের মাঝেই উঠে আসছে বিরাট তথ্য। একাধিক আন্তর্জাতিক এবং সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, খামেনেইকে ধরতে, বিরাট ফাঁদ পেতেছিল ইজরায়েল এবং সেই পরিকল্পনাও করা হয়েছিল দীর্ঘদিন ধরেই। 

একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, খামেনেই এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দেহরক্ষীদের উপর নজরদারি করার জন্য ইজরায়েল তেহরানের বিস্তৃত ট্র্যাফিক ক্যামেরা নেটওয়ার্ক হ্যাকড করেছিল। 

ইরানের ক্যামেরা, যা রাষ্ট্রের নজরদারি ব্যবস্থার অংশ বলে মনে করা হয়, তা বিক্ষোভকারী এবং শাসকগোষ্ঠীর বিরোধীদের শনাক্ত এবং ট্র্যাক করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে, ইজরায়েলের মোসাদ এই ক্যামেরাগুলিকেই ব্যবহার করেছিল বলে তথ্য।

এফটি রিপোর্ট অনুসারে, ইজরায়েল কয়েক বছর আগে ক্যামেরাগুলিতে অ্যাক্সেস পেয়েছিল। জানা গিয়েছে, একটি ক্যামেরার মাধ্যমে সবসময় নজর রাখা হত খামেনেই গাড়ি এবং তাঁর গতিবিধির উপর। এর পাশাপাশি, তেহরানের পাস্তুর স্ট্রিটে, যেখানে খামেনিকে হত্যা করা হয়েছিল, সেখানেও চলত টানা নজরেদারি। 

 

এর আগেই জানা গিয়েছিল, তেহরানে সকাল ন'টায় সেই বৈঠক করার কথা ছিল আলি খামেনেইর। সেই তথ্য ইজরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কাছে ফাঁস করে দিয়েছিলেন খামেনেইর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মধ্যে একজন। যে হামলা রাতে হওয়ার কথা ছিল, খামেনেইর গোপন ডেরার খবর পেয়ে, তৎক্ষণাৎ তেহরানে হামলা শুরু করে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

 

শনিবার উপদেষ্টা শামখানি এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে নিরাপদ স্থানে বৈঠকে বসেছিলেন আলি খামেনেই। কিছুক্ষণ পরেই হামলা শুরু হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলি বিমান হামলায় আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার আলি শামখানিও নিহত হয়েছেন। শামখানি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা। রবিবার সকালে জানা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইও নিহত হয়েছেন।‌ খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর, দিনে দিনে অয়াল্টাচ্ছে সমীকরণ। পরিস্থিতির দিকে নজর সব পক্ষের। 

 

&t=20s