আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের এক মহিলার সঙ্গে বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের মত গুরুতর অভিযোগে বরখাস্ত করা হল ব্রিটেনের বাকিমহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জেমস টুলে। অধ্যাপকের বিচ্ছিন্না স্ত্রী সেনথিয়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই কড়া পদক্ষেপ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক টুলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের কথা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার হাজার কর্মী ও পড়ুয়াদের জানানো হয়।
গত ১১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মার্ক কোয়াল্টার অধ্যাপত টুলিকে বরখাস্ত করেছিলেন। অধ্যাপকের বিচ্ছিন্না স্ত্রী দাবি করেছিলেন যে, ৬৫ বছর বয়সী শিক্ষাবিদ টুলির হায়দরাবাদের একজন মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। ওই অধ্যাপক তাঁর মধ্য পঞ্চাশে কাজ করতে ভারতে আসেন। সেই সময়ই অধ্যাপক টুলের সঙ্গে ওই মহিলার বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল।
২০২০ সাল থেকে জেমল টুলে বাকিমহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলিতে স্বল্পমূল্যের প্রাইভেট স্কুল স্থাপনে সহায়তা করার জন্যও বেশ পরিচিত। তবে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অধ্যাপকদের অধিকাংশই টুলের বিরুদ্ধে, ফলে উপাচার্যকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রটি প্রসারিত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অধ্যাপক বলেছেন, "অনেকেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী নন। কারণ প্রফেসর একজন মুক্তমনা। তিনি প্রকাশ্যে পরিবর্তনের পক্ষে সংওয়াল করেছিলেন। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে অনেকে একজোট হতে শুরু করেন।"
বরখাস্ত উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাধীন অব্যন্তরীণ তদন্ত প্যানেল গঠন করেছে। গত বুধবার এই প্যানেলের সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে প্যানেল সদস্যরা অধ্যাপক টুলের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করা হয়েছিল তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
