আজকাল ওয়েবডেস্ক: জলের নিচে প্রচুর প্রাণীরা থাকে। তাদের মধ্যে এমন অনেক প্রাণী থাকে যারা বহু বছর ধরে জলের নিচে লুকিয়ে থাকে। বলা ভাল তারা বেশি ওপরের দিকে উঠে আসে না। এমনই একটি প্রাণী হল আন্টার্কটিক জায়ান্ট স্কুইড। এদের দেখা মেলা সহজ নয়।
এমনই একটি বিরল স্কুইডের দেখা মিলেছিল ১৮৯৮ সালে। তারপর তাকে আর দেখা যায়নি। তবে এবার ফের তার দেখা মিলল। প্রায় ২০০ বছর পর দেখা এই স্কুইড যেন নতুন করে গবেষকদের মনে প্রাণ তৈরি করেছে। এই বিজারে প্রাণীকে দেখতে এখন সর্বত্র হৈচৈ পড়েছে। এটি সমুদ্রের নিচে প্রায় ৭ হাজার ফুটে থাকে। ফলে সহজে এদের দেখা যায় না। ধরা তো অনেক দূর।
এর দেখা পাওয়া একেবারে ভগবানের দেখা পাওয়ার সমান বলেই মনে করা হচ্ছে। জলের নিচে থাকায় এর আকার অনেকটাই বড়। প্রায় একটি ছোটোখাটো তিমি মাছের সমান এর দেহটি। দেহের সামনে রয়েছে অক্টোপাসের মতো অনেকগুলি শুড়। সেগুলি দিয়ে এই প্রাণী বিপক্ষকে অতি সহজেই ঘায়েল করে। বিশ্বে এই প্রাণীর দেখা মেলার অর্থ কী তা নিয়ে এবার তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরণের জল্পনা।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক ব্যক্তি জানান তিনি একে চোখের সামনে দেখেছেন। ঠিক যেন একটি বিরাট দৈত্য জলের নিচে চলেছে। তার ধারে কাছে থাকা সমস্ত প্রাণীরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছে। তবে এটি নিজের মতো চলছে। পরে ধীরে ধীরে জলের একেবারে গভীরে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল।
তবে এর দেহ একেবারে পাতলা বলেই মনে করছেন গবেষকরা। তাদের মতে যেখানে এই প্রাণীটি জলের মধ্যে চলাফেরা করে তাতে একে দেখে সকলে ভয় পায়। ফলে সেখান থেকে এর কাছে যেতে সাহস করে না কেউই।
জলের নিচে এর রং এতটাই উজ্জ্বল যে সেখান থেকে অনেক দূর থেকে দেখা যায়। প্রতিপক্ষকে হারানোর সমস্ত ক্ষমতাই রয়েছে এর কাছে। তবে কীভাবে এই প্রাণীকে এত বছর পর দেখা গেল সেটাই এখন প্রধান চিন্তা গবেষকদের কাছে তাহলে কী সমুদ্রের নিচে পরিবেশ দ্রুত বদলাচ্ছে। তার ফলেই কী এই অবস্থা।
