আজকাল ওয়েবডেস্ক: অফিসে কাজের চাপ মারাত্মক। ক্ষণিকের ছুটিও মঞ্জুর নয় কর্তৃপক্ষের। দাবির সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে প্রাণপাত, কেউ ভর্তি হাসপাতালে। তাতেও যেন হেলদোল নেই সংস্থার। কোনও সংস্থা নির্বিকার, কোনও সংস্থা ওই কর্মীকেই ছাঁটাই করে দিচ্ছে অনায়াসে। অভিযোগ তেমনটাই।
সাম্প্রতিককালে বেশকিছু বেসরকারি সংস্থায় কাজের চাপ, কাজের পরিবেশ, পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্মীরা। অনেকেই কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মৃত্যুর ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। এবার সামনে এল আরও এক মর্মান্তিক ঘটনা। কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরেও রেহাই মেলেনি কর্মীর। কাজ থেকে বের করে দেয় অফিস কর্তৃপক্ষ। তেমনটাই অভিযোগ। যদিও লাগাতার অভিযগের পর সংস্থা বর্তমান কর্মীদের দাবি শুনতে বৈঠক ডেকেছিল, তাতে প্রাক্তন কর্মীরা নিজেদের অভিযোগ থেকে সরছেন না যদিও।
মিলওয়াকি-ভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যাংক রবার্ট ডব্লিউ. বেয়ার্ডের একদল জুনিয়র কর্মচারী অভিযোগ করেছেন যে তাদের সপ্তাহে ১১০ ঘন্টা কঠোর পরিশ্রম করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে দুই সহকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এক কর্মীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তাঁর অগ্ন্যাশয়ের সমস্যা গুরুতর। সূত্রের খবর, কর্মীর ‘অর্গ্যান ফেলিওর’-এর পিছনেও রয়েছে অত্যাধিক কাজের চাপ।
অভিযোগ, ওই সংস্থা কর্মীদের দিনে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করত। কাজের মাঝে সামান্য বিরতি নিতে চাইলেও কর্তৃপক্ষের তিরস্কারের মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের।
