আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেরালার অর্থনীতির ১০ শতাংশ আসে পর্যটন থেকে। ভ্রমণকারীদের কাছে কেরালা একটি বিশেষ ঘোরার জায়গা। ফলে পর্যটন দিয়ে বহু মানুষ নিজেদের সংসার চালান। তবে প্রকৃতির নির্মম খেলায় আজ বিধ্বস্ত গোটা কেরালা। ইতিমধ্যেই ৩০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আরও দেহ দেখার অপেক্ষায় প্রমাদ গুনছেন ওয়েনাডবাসী। চারিদিকে যেখানে শুধু সবুজের সমাহার সেখানে প্রকৃতির এই রোষ ইপ্সিত নয়।
এরফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে এখানকার পর্যটন ব্যবসা। তবে এখানেই শেষ নয়। এর আগেও বহু ধস দেখেছে ওয়েনাড। ২০২১ সালে বহু মানুষ ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছিল। সেবারে কেরালার কোয়াট্টাম এবং ইধুকি জেলায় ধসের ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালে কেরালার বন্যার কথা নিশ্চয় সকলের মনে রয়েছে সেবার ৪০০ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ওয়েনাডের এই দুর্ঘটনা খানিকটা মানুষের তৈরি। তাই এখন পর্যটন ব্যবসা ধাক্কা খাবে সেটাই তো স্বাভাবিক।
যেভাবে পর্যটনকে ঘিরে এখানকার রিসর্ট এবং হোটেল ব্যবসা মার খেয়েছে তা নিয়ে এখন চিন্তা করে লাভ নেই। প্রকৃতির আপন দেশে তার প্রতিশোধ নিয়েছে খোদ প্রকৃতি। অন্য একটি সূত্র থেকে দেখা গিয়েছে কেরালায় অতিরিক্ত পর্যটকদের আনাগোনা এই ধসের আরও একটি কারণ। যেভাবে এখানে মানুষ ভিড় জমিয়েছে তা প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করেছে। তারফলেই এই ধসের ঘটনা।
এরফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে এখানকার পর্যটন ব্যবসা। তবে এখানেই শেষ নয়। এর আগেও বহু ধস দেখেছে ওয়েনাড। ২০২১ সালে বহু মানুষ ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছিল। সেবারে কেরালার কোয়াট্টাম এবং ইধুকি জেলায় ধসের ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালে কেরালার বন্যার কথা নিশ্চয় সকলের মনে রয়েছে সেবার ৪০০ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ওয়েনাডের এই দুর্ঘটনা খানিকটা মানুষের তৈরি। তাই এখন পর্যটন ব্যবসা ধাক্কা খাবে সেটাই তো স্বাভাবিক।
যেভাবে পর্যটনকে ঘিরে এখানকার রিসর্ট এবং হোটেল ব্যবসা মার খেয়েছে তা নিয়ে এখন চিন্তা করে লাভ নেই। প্রকৃতির আপন দেশে তার প্রতিশোধ নিয়েছে খোদ প্রকৃতি। অন্য একটি সূত্র থেকে দেখা গিয়েছে কেরালায় অতিরিক্ত পর্যটকদের আনাগোনা এই ধসের আরও একটি কারণ। যেভাবে এখানে মানুষ ভিড় জমিয়েছে তা প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করেছে। তারফলেই এই ধসের ঘটনা।
