আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিয়ের পর অযোধ্যা ধাম ঘু্রতে গিয়েই বিপত্তি। অযোধ্যার উন্নয়ন দেখে চোখ ছানাবড়া তরুণীর। স্বামীর সামনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন স্ত্রী। এর থেকেই শুরু ঝামেলা। মোদি ও যোগীর প্রশংসা শুনেই স্ত্রীকে চরম শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। এরপর স্ত্রীকে তিন তালাক দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচে। গত বছর ডিসেম্বরে বিয়ের পর অযোধ্যায় গিয়েছিলেন তরুণী। অযোধ্যার রাস্তাঘাট, আলো দেখে চমকে গিয়েছিলেন তিনি। স্বামীর কাছে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসাও করেছিলেন। যা শুনেই তাঁর মুখে ফুটন্ত ডাল ছুড়ে মেরেছিলেন স্বামী। এখানেই থামেননি। বাড়ির সকলের সামনে স্ত্রীকে তিন তালাক দেন অভিযুক্ত স্বামী।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতেও শ্বশুর বাড়ির নির্যাতনের বিরুদ্ধে তরুণী একটি ভিডিও পোস্ট করেন। মহল্লা সরাইয়ের বাসিন্দা বলে পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, বিয়ের পর ঝামেলার পর আত্মীয়রা একাধিকবার মিটমাট করার চেষ্টা করছিলেন। তারপরেও অত্যাচার থামেনি। শাশুড়ি, ননদরাও তাঁকে খুন করার চেষ্টা করেছিলেন।
পুলিশের কাছে তরুণী জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করতেন স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। স্বামী সহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন তরুণী। ওই সাতজনের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন, খুনের হুমকি, পণের জন্য অত্যাচার এবং মুসলিম মহিলা (সংরক্ষণ) আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেই তিন তালাক প্রথা নিষিদ্ধ করেছিল মোদি সরকার।
















