আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য চালু হল পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ। এখন থেকে প্রতি শনি ও রবিবার সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে এর পরিবর্তে সপ্তাহের বাকি পাঁচ দিনে অফিসে ডিউটির সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে গিয়ে এই কথা জানান ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী জানান, নতুন নিয়ম অনুযায়ী সরকারি দপ্তরগুলিতে অফিস সকাল ১০টার পরিবর্তে সকাল ৯.৩০ নাগাদ শুরু হবে। বিকাল ৫.৩০টার বদলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অফিস করতে হবে কর্মীদের।

একই সঙ্গে গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদের জন্য সম্প্রতি চালু হওয়া রোস্টার পদ্ধতিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে সমস্ত সরকারি কর্মচারীকে প্রতিদিনই অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।

এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে মোট ৮১টি শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে ৫০টি পদে নিয়োগ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট পদগুলির মধ্যে রয়েছে ১৩টি রিপোর্টার, ২৪টি এলডিসি, ৭টি কালচারাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ২টি ফোক আর্টিস্ট এবং স্ক্রিপ্ট রাইটার, ট্রান্সলেটার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ফটোগ্রাফার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট লাইব্রেরিয়ান পদে একটি করে নিয়োগ।

এছাড়াও পূর্ত দপ্তরের অধীনে ২৬টি এলডিসি পদে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে ২৩টি পদে জেআরবিটির মাধ্যমে এবং বাকি ৩টি পদে প্রাক্তন সেনাকর্মীদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে।

অন্যদিকে, টিপিএসসির মাধ্যমে অর্থ দপ্তরের অধীনে ৫টি ‘ইন্সপেক্টর অফ স্মল সেভিংস’ পদেও নিয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে সুশান্ত চৌধুরী আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যয় সংকোচনের আহ্বান অনুসরণ করে রাজ্য সরকারও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সরকারি বৈঠক ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজন, ইলেকট্রিক ও সিএনজি যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি, প্রশাসনিক স্তরে গাড়ির ব্যবহার কমানো এবং বড় আকারের রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।