রান্নাঘরে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন? তাহলে রান্নার গ্যাসের সংযোগ বদল বা নতুন নিয়মের এই খবরটি আপনার জেনে রাখা জরুরি।
2
16
কানেকশন ট্রান্সফার, নতুন সংযোগ কিংবা এলপিজি থেকে পিএনজি- সব ক্ষেত্রেই একগুচ্ছ নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। নিয়ম না জানলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।
3
16
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন নিয়ম বদলাল।
4
16
আপনি যদি বাড়িতে পাইপলাইনের গ্যাস বা পিএনজি সংযোগ নেন, তবে ৩০ দিনের মধ্যে পুরনো এলপিজি কানেকশনটি বন্ধ করতে হবে।
5
16
ইতিমধ্যেই এই সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছে। একই বাড়িতে যাতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দুটি গ্যাস ব্যবস্থা সচল না থাকে এবং গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে আরও সহজ হয়, তার জন্যই সরকারের এই কড়া পদক্ষেপ।
6
16
যদি আপনার নতুন বাড়ি পুরনো গ্যাস এজেন্সির পরিষেবা এলাকার মধ্যেই হয়, তবে প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ। ইন্ডিয়ান, এইচপি বা ভারত গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটরকে নতুন ঠিকানার প্রমাণপত্র দিলেই তাঁরা সেটি আপডেট করে দেবেন এবং নতুন ঠিকানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়ে যাবে।
7
16
পরিচয়পত্র, নতুন ঠিকানার প্রমাণ, গ্যাস বুক বা কনজিউমার কার্ড, রেগুলেটর এবং গ্যাস সংযোগের মূল ভাউচার।
8
16
আপনার নতুন বাড়ি যদি পুরনো এজেন্সির এলাকার বাইরে হয়, তবে ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে একটি ট্রান্সফার টার্মিনেশন ভাউচার নিতে হবে।
9
16
এই সরকারি নথিটি নতুন এলাকার এজেন্সিতে জমা দিলেই সংযোগ চালু হয়ে যাবে।
10
16
অন্য শহরে চলে গেলে পুরনো এজেন্সিতে সিলিন্ডার এবং রেগুলেটর জমা দিয়ে দিতে হবে। এজেন্সি আপনাকে একটি 'টার্মিনেশন ভাউচার' দেবে এবং সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ফেরত দেবে।
11
16
নতুন শহরে গিয়ে এই ভাউচার ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলে নতুন সংযোগ মিলবে।
12
16
প্রসঙ্গত, অন্য শহরে স্থানান্তরের পর নতুন গ্যাস এজেন্সি আপনার পুরনো টিটিভি-কে ট্রান্সফার সাবস্ক্রিপশন ভাউচার-এ বদলে দেয়।
13
16
এর পর আপনাকে একটি নতুন কনজিউমার নম্বর দেওয়া হবে, যা দিয়ে ভবিষ্যতে গ্যাস বুকিং করা যাবে এবং নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।
14
16
দেশে গত ছয় মাসে প্রায় ১৩.৪ লক্ষের বেশি নতুন পিএনজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। যদিও সরকারের লক্ষ্য ছিল ৬০ লক্ষ।
15
16
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সরবরাহে টান পড়ার পরেই সরকার পাইপলাইনের গ্যাসের ওপর জোর দিতে শুরু করেছে। লক্ষ্য একটাই- প্রতিটি ঘরে নিরাপদ ও সস্তা গ্যাস পৌঁছে দেওয়া।
16
16
ওয়াকিবহাল মহলের মতে এলপিজি থেকে পিএনজি-তে যাওয়ার আগে স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটরের সঙ্গে কথা বলে পুরো প্রক্রিয়াটি ভালো করে বুঝে নিন। ট্রান্সফারের সময় পাওয়া সমস্ত রসিদ ও ভাউচার অত্যন্ত যত্নে রাখুন, ভবিষ্যতে যে কোনও দরকারে এগুলিই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।