আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বের সামরিক বিমান শক্তির সামগ্রিক সক্ষমতার মূল্যায়ন করে নতুন র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফট।
দেশগুলির বিমান চলাচলের শক্তি ও দুর্বলতার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি এই সূচকে বিশ্বের ১০৩টি দেশের ১২৯টি সামরিক বিমান শাখার মোট ৪৮,০৮২টি বিমানকে মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়েছে।
শুধু যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নয়, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ, লজিস্টিকস, আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে কতটা শক্তিশালী তার ক্ষমতার মতো একাধিক সূচক বিবেচনা করে এই র্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফটের নিজস্ব রেটিংয়ের ভিত্তিতে প্রতিটি দেশের বিমানবাহিনীর সামগ্রিক শক্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রেটিং পদ্ধতিতে শুধুমাত্র বিমানের সংখ্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
বরং, একটা দেশের বায়ুসেনার প্রযুক্তিগত মান, যুদ্ধের প্রস্তুতি, ভারসাম্য এবং সক্ষমতাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই মূল্যায়নে শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট বায়ুসেনা। আমেরিকার রেটিং ২৪২.৯।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর বিমান শাখা (United States Navy)। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাশিয়ার বিমানবাহিনী, আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমান শাখা (United States Army)।
পঞ্চম স্থান দখল করেছে মার্কিন মেরিন কর্পসের বিমান শাখা (United States Marine Corps)।এই তালিকায় ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) বিশ্বের ষষ্ঠ শক্তিশালী বায়ুসেনা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
যা কিনা দেশের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভারতের পর সপ্তম স্থানে রয়েছে চীনের বিমানবাহিনী, অষ্টম স্থানে জাপানের বিমানবাহিনী, নবম স্থানে ইজরায়েলের বিমানবাহিনী এবং দশম স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের বিমানবাহিনী।
ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফটের এই মূল্যায়ন দেখিয়ে দিয়েছে যে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নয়, বরং প্রযুক্তি, সক্ষমতা, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক যুদ্ধ প্রস্তুতিই একটি দেশের বায়ুসেনার প্রকৃত শক্তি নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।















