আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরুতে এক আজব ঘটনায় চুরির চেষ্টা করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে এক অভিযুক্ত চোর।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী পেশায় একজন অটোচালক। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুর চোক্কানাহল্লি মেইন রোড সংলগ্ন একটি আবাসিক এলাকায়।

অভিযোগ, বৈদ্যুতিক সামগ্রী চুরির উদ্দেশ্যে ওই অটোচালক একটি আবাসনের ভিতরে প্রবেশ করে। বাড়ির বাসিন্দারা তাঁকে অনধিকার প্রবেশের বিষয়ে প্রশ্ন করতেই বচসা শুরু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সেই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়ির দম্পতিকে মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে সে আরও দু’জন বন্ধুকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনে। তিনজনে মিলে বাড়ির বাসিন্দাদের উপর চড়াও হয়।

এই হামলার সময় অভিযুক্তদের একজন বিয়ারের বোতল দিয়ে পুরুষ বাসিন্দার মাথায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। ভাঙা কাচের টুকরোয় মহিলা বাসিন্দার গালেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মহিলার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে অভিযুক্তদের সঙ্গীরা একটি অটো-রিকশায় করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। অভিযোগ, ঘটনাস্থলে তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই ভিড়ের মধ্য থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের কেউ একজন কাঠের কোনও বস্তু দিয়ে অভিযোগকারী অটোচালককে আঘাত করে বলে দাবি করা হয়েছে।

পরে আহত অবস্থায় তিনি চিকিৎসা করান এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক সিটি ডিভিশনে। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন আবাসন ও বাড়ি থেকে মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করার অভিযোগে ২৩ বছরের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করে, সেগুলো পরে ছবি তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, হেব্বাগোডি এলাকায় ওই তরুণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন কয়েকজন মহিলা। ছাদে, ব্যালকনিতে অন্তর্বাস শুকোতে দিলেই, হঠাৎ তা গায়েব হয়ে যাচ্ছিল।

পরপর কয়েকটি আবাসন ও বাড়ি একইসময়ে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ওই এলাকায় পৌঁছে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। এরপর ওই তরুণকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। 

ধৃত তরুণের নাম, অমল এন আজি। তিনি কেরলের বাসিন্দা আদতে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করে, সেগুলো পরে ছবি তুলতেন ওই তরুণ।

এমনকী, তাঁর ঘর থেকে মহিলাদের প্রচুর অন্তর্বাস উদ্ধার করেছে তারা। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।