আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবাসরীয় সকাল থেকে দফায় দফায় গুলির লড়াই। নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের গুলির লড়াই এখনও জারি। এদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিকেশ এক জঙ্গি। এখনও পর্যন্ত জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এদিন ভোর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের কিশ্তওয়ারে নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়েছে। ছত্রুর জঙ্গলে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। জঙ্গিদের সঙ্গে বেশ কয়েক বার সংঘর্ষ হয়েছে বাহিনীর। 

 

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ওই জঙ্গলে দু'-তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। যাদের মধ্যে একজনকে খতম করা হয়েছে। এরা সকলেই জইশ জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের উঁচুতে মাটির ঘরে লুকিয়ে ছিল তারা। পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনীকে দেখেই গুলিবর্ষণ শুরু করে। 

 

এরপরই দু'পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। এখনও বাকি জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে। গুলির লড়াইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কেউ আহত হননি। 

 

গত সেপ্টেম্বর মাসেই উধমপুরে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই হয় সেনার। এক সেন জওয়ান ওই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। প্রায় একই সময়ে তল্লাশি চালিয়ে পুঞ্চ সেক্টর থেকে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করে সেনা। বড় কোনও হামলার ছক ছিল বলেই এই অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছিল। 

 

জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর জেলায় ফের সন্ত্রাসবাদী দমন অভিযানকে ঘিরে তীব্র গুলির লড়াই চলে সেপ্টেম্বর মাসে। ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদের তিন থেকে চারজন জঙ্গিকে ওই এলাকায় ঘিরে ফেলা হয়েছে। সংঘর্ষে এক সেনা জওয়ান আহত হয়েছেন। প্রথমে সেনার তরফে জানানো হয়েছিল যে কিশ্তওয়ারেও একটি আলাদা গুলির লড়াই চলছে। তবে পরে স্পষ্ট করা হয়, এই অভিযান শুধুমাত্র উধমপুর জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। 

 

২৬ জুন দুদু-বসন্তগড়ের জঙ্গলে সংঘর্ষে খতম হয় জইশ কমান্ডার হায়দার, যিনি প্রায় চার বছর ধরে ওই এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। এর আগে ২৫ এপ্রিল একই এলাকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে শহিদ হয়েছিলেন এক সেনা জওয়ান। অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স শাখা কাশ্মীর উপত্যকার সাতটি জেলায়। শ্রীনগর, বারামুলা, অনন্তনাগ, কুপওয়ারা, হ্যান্ডওয়ারা, পুলওয়ামা এবং শোপিয়ানে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। 

 

পহেলগাঁও কাণ্ডের পর গত জুলাই মাসে ‘অপারেশন মহাদেব’ -এর মাধ্যমে পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিন জঙ্গিকে খতম করে সেনাবাহিনী। এর কয়েকদিন পরেই কাশ্মীরের কুলগাম এলাকায় ‘অপারেশন অখল’ চালিয়েছিল সেনা। গুলির লড়াইয়ে সেখানে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।