আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্কুলে যাওয়ার পথেই সব শেষ। স্কুটার থেকে ছিটকে পড়তেই পিষে দিল সেনার ট্রাক। মায়ের চোখের সামনে মর্মান্তিক পরিণতি সাত বছরের নাবালিকার। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানায়। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে, সেনার গাড়িতে পিষে সাত বছরের এক নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল নাবালিকা পড়ুয়া। স্কুলে যাওয়ার পথেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, প্রথম শ্রেণির ওই ছাত্রী আর্মি স্কুলের পড়ুয়া ছিল। সেদিন মায়ের সঙ্গে স্কুটারে করে স্কুলে যাচ্ছিল। মাঝ পথে স্কুটারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তখনই সেনার গাড়ির চাকায় পিষে যায় সে। ঘটনাস্থলেই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। তার মা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার সেকেন্দ্রাবাদের তৃমূলঘেরিতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। 

আরকে পুরম ফ্লাইওভারের কাছেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে স্কুটারটি। নাবালিকা ও তার মা ছিটকে পড়ে যান। তখনই পিছন থেকে আসছিল সেনাবাহিনীর ট্রাক। সেনার ট্রাকের চাকা পিষে দেয় মা ও মেয়েকে। নাবালিকার মা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মৃত নাবালিকার বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত। বর্তমানে জম্মু ও কাশ্মীরে থাকেন। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। 

২০২৪ সালে জুন মাসে আরেকটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মুম্বইয়ে ঘটেছিল ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা। কিশোরের ভুলে প্রাণ যায় ফুটপাতবাসী এক চার বছরের নাবালকের। আহত হন মৃত নাবালকের বাবাও। এই ঘটনায় কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বই পুলিশ। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার মধ্যরাতে। মুম্বইয়ের ওয়াডালা এলাকায় আম্বেদকর কলেজের সামনে। ভিলে পার্লে এলাকার বাসিন্দা সন্দীপ গোলে নামে এক কিশোর এসইউভি গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিল। আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারায় সে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি তুলে দেয় ফুটপাতের উপর। সে সময় ফুটপাতের উপর শুয়ে ছিল চার বছরের আয়ুষ লক্ষ্মণ কিনভারে আর তার বাবা। কিশোরের গাড়ির চাকা পিষে দেয় তাদের। 

দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসকরা নাবালককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তার বাবা। 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুম্বই পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত কিশোরকে। তার গাড়িটিও আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ি চালানোর সময় অভিযুক্ত কিশোর মদ্যপ অবস্থায় ছিল না। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।