আজকাল ওয়েবডেস্ক: ছাত্রী নয়, একের পর এক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা। যৌন লালসা মেটাতে সম্প্রতি এক ছাত্রকে ফাঁকা ঘরে ডেকেছিলেন প্রিন্সিপাল। তারপরেই ঘটল ভয়ঙ্কর কাণ্ড। যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করতেই প্রিন্সিপালের পুরুষাঙ্গে কামড় দিয়েই পালিয়ে গেলেন ওই ছাত্র। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরেই ছটফট করছিলেন প্রিন্সিপাল। এরপরই তাঁর কেচ্ছা ফাঁস হয়েছে। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানায়। নাগারকুর্নুল জেলায় কোল্লাপুর শহরের এক পিজি কলেজে। ওই কলেজে ২০২৫ সালে এমবিএ ডিগ্রি শেষ করেছিলেন ওই পড়ুয়া। দু'দিন আগে ওই কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে টা্রান্সফার সার্টিফিকেট নিতে যান। তখনই ঘটে এই ঘটনাটি। 

 

জানা গিয়েছে, দু'দিন আগেই ওই প্রিন্সিপাল ওই পড়ুয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। অস্বাভাবিক যৌন মিলনের চেষ্টাও করেন। গতকাল ৭ জুলাই, ফের ওই প্রিন্সিপাল তাঁকে ফাঁকা ঘরে ডেকে পাঠান। তখনও যৌন মিলনের চেষ্টা করেন প্রিন্সিপাল। বাঁচতে শেষমেশ প্রিন্সিপালের পুরুষাঙ্গে সজোরে কামড় দিয়েই পালিয়ে যান পড়ুয়া। 

 

রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরে লুটিয়ে পড়েই চিৎকার করেন প্রিন্সিপাল। তাঁর চিৎকার শুনেই ঘরে ছুটে আসেন অন্যান্য পড়ুয়ারা। সেই সময় প্রিন্সিপাল নগ্ন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে ফেলেন সকলে। আতঙ্কে প্রথমে বাথরুমে লুকিয়ে ছিলেন ওই প্রিন্সিপাল। পরে কলেজ ছেড়ে পালিয়ে যান। 

 

কলেজের একাধিক পড়ুয়ার অভিযোগ, এর আগেও প্রিন্সিপাল একাধিক পড়ুয়াকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরেই ছাত্র সংগঠনের নেতারা বিক্ষোভ দেখান। প্রিন্সিপালকে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। 

 

কোল্লাপুর থানায় অভিযুক্ত প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেপ্তারির দাবি জানিয়েছেন ওই পড়ুয়া। ঘটনায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।