আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার ভোররাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্তের। এই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। অনেকেই মনে করছে যে, যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের 'এনকাউন্টার থেরাপি'-র প্রতিফলন এবার বাংলার মাটিতে। দু'দিন আগেই উত্তরপ্রদেশেও ঘটে 'এনকাউন্টার'। বুলন্দশহর জেলায় গবাদি পশু চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জখম হয়েছেন। গবাদি পশু চুরির অভিযোগে পুলিশ তাদের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করার সময় সন্দেহভাজনদের একটি দল পুলিশের ওপর গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একজন পালিয়ে গিয়েছে। পলাতককে ধরতে তল্লাশি অভিযান চলছে।

ধৃতদের কাছ থেকে একটি অবৈধ ৩১৫ বোর পিস্তল, একটি তাজা কার্তুজ, একটি ব্যবহার করা কার্তুজের খোল, একটি পিকআপ ট্রাক এবং দু'টি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে।

সিকান্দরাবাদ সার্কেল অফিসার দীপক তিওয়ারি জানান, শনিবার গবাদি পশুর হাটের কাছে একদল মানুষ একটি মহিষ গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। তিনি বলেন, "৪ জুলাই পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে, গবাদি পশুর হাটের কাছে কয়েকজন চোর একটি মহিষ গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশকে দেখেই সেখানে উপস্থিত লোকেরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক ব্যক্তির বাঁ পায়ে গুলি লাগে।"  

বরাবরই পশু চুরির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেছেপুলিশ।