আজকাল ওয়েবডেস্ক: কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়াল জোট সঙ্গীরা। রবিবার মমতার তৃণমূলের ছন্নছাড়া দশার মাঝেও, বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ওয়াক আউট করে সর্ব-দলীয় বৈঠক থেকে। কারণ, তৃণমূল ত্যাগী, এনসিপিআই-এ যুক্ত হওয়া সাংসদদের ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোর বিরোধিতা।
শনিবারেই জানা গিয়েছিল, সংসদে স্বাগত জানানো হয়েছে এনসিপিআইকে। অর্থাৎ তৃণমূলের বিরোধিতার পরেও মিলেছে স্বীকৃতি। নজর ছিল, এই পরিস্থিতিতে সর্বদলীয় বৈঠকে কী করে তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার সর্বদলী বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন তৃণমূলের সাংসদরা। হাত ধরে কংগ্রেসও।
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ একটি পোস্ট করে লিখেছেন, 'সর্বদলীয় বৈঠক থেকে সমস্ত বিরোধী দল কয়েক মিনিটের জন্য ওয়াকআউট করে। স্পিকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঝুলে থাকা সত্ত্বেও, মোদী সরকার এনসিপিআই (NCPI)-কে আমন্ত্রণ জানানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার প্রতিবাদেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।' সঙ্গেই এনসিপিআই-কে 'পার্কিং প্লেস' হিসেবে উল্লেখ করে, সেই প্রসঙ্গে লিখেছেন, 'এনসিপিআই হল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় ২০ জন তথাকথিত ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল।'
জয়রামের ওই পোস্ট শেয়ার করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ, ডেরেক ও'ব্রায়েন। লিখেছেন 'ইউনাইটেড অপজিশন।'
সংসদে তৃণমূল ভাঙার মূল কাণ্ডারী কাকলিই। ভোটে হারার পর, মমতা ব্যানার্জি কালীঘাটের বৈঠকে ফের লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্ব কল্যাণ ব্যানার্জির হাতেই তুলে দেন। তারপর থেকেই ধাপে ধাপে বোমা ফাটিয়ে তৃণমূলের হাতই ছেড়ে দেন কাকলি। শুধু তাই নয়, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদদের নিয়ে একপ্রকার আলাদা হয়ে যান। তৃণমূলের হাত ছেড়ে যান সোজা এনসিপিআইতে। সেই দলও স্বীকৃতি পেয়ে গিয়েছে। এবার তারই বিরোধিতায় বিরোধিতায় বিরোধী জোট।
















