আজকাল ওয়েবডেস্ক: লখনউয়ের এক স্কুলে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। বারবার চাউমিন খাওয়াকে কেন্দ্র করে রীতিমতো হইহই পড়ে গেল স্কুলে। সামান্য খাবারের আবদার থেকে এহেন ভয়াবহ পরিণতি হবে তা কেউ ভাবতে পারেনি৷ স্কুলের এই নজিরবিহীন শাস্তিতে উত্তরপ্রদেশের শিক্ষা মহলে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের চিনহাট এলাকার সেন্ট মেরি’স স্কুলে। দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের বিদায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিল নবম শ্রেণির ছাত্ররাও। অভিযোগ, সেখানে চাউমিনের কাউন্টারে ভিড় জমিয়ে বারবার খাবার নিচ্ছিল একদল ছাত্র। তাতে খাবারের লাইনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
বিষয়টি কানে যেতেই কড়া অবস্থান নেন স্কুলের অধ্যক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে ওই ছাত্রদের দুই দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। স্কুলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভয়েস নোট পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন খোদ অধ্যক্ষ।
জানা গিয়েছে, বিবাদের সূত্রপাত হয় তার পরের দিন। ছাত্রদের অভিযোগ, বহিষ্কারের কথা ভুলে তারা স্কুলে গেলে অধ্যক্ষ লাঠি নিয়ে তাঁদের তাড়া করেন। এই ঘটনার কথা বাড়িতে জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। তাঁরা স্কুল চত্বরে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। যদিও বিতর্ক এড়াতে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি অভিভাবকরা। চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে স্কুল প্রশাসন।
ছাত্রদের পুনরায় ক্লাসে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের সাফাই, গত ২৫ বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি। স্রেফ শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ওই শাস্তির 'দাওয়াই' দেওয়া হয়েছিল।
