আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে বুধবার রাত পর্যন্ত বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীন ও দলের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ। কী আলোচনা হল সেখানে? সরকারিভাবে কিছুই খোলসা করা হয়নি। তাহলে কি বড় কোনও সিদ্ধান্তের ঘোষণা নিয়ে আলোচনা?

সূত্রের খবর, দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক স্তরে নতুন পদাধিকারীদের নিয়ে একটি দল গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার লক্ষ্যেই এই আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকের ফলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, নীতিন নবীনের নেতৃত্বাধীন নতুন সাংগঠনিক দলের ঘোষণা হয়তো এই সপ্তাহেই করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দলের সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজানো এবং বিভিন্ন পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করার বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের ব্যস্ততার কারণে এই ইস্যুতে চূড়ান্ত আলোচনাটি বাকি ছিল। জানা গিয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই রদবদলে অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন নতুন মুখকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। নতুন সাংগঠনিক এই দলে বিজেপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া উইং-সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ইউনিটে নিয়োগের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলে এমন জল্পনাও বাড়ছে যে, সাংগঠনিক রদবদলের পরপরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন হতে পারে। কারণ, কয়েকজন মন্ত্রীকে বিভিন্ন রাজ্যে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ায় 'প্রতিমন্ত্রী' স্তরে কিছু পদ খালি হয়েছে, যার ফলে মন্ত্রিসভায় নতুন নিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নেতৃত্বের পক্ষ থেকে মহিলা ও তরুণ নেতাদের অধিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ এবং ব্যাপক সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী ২০ জুলাই থেকে সংসদে শুরু হবে বর্ষাকালীন অধিবেশন। তার আগেই রদবদলের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে চাইছে পদ্ম বাহিনী। সূত্রের কথায়, "যেহেতু উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাব-সহ অনেক রাজ্যে ২০২৭ সালে নির্বাচন রয়েছে, তাই দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ব্যাপক আলোচনার পরেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।"