আজকাল ওয়েবডেস্ক: হায়দ্রাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে ভয়ঙ্কর অভিযোগ। দ্বিতীয় শ্রেণির এক হিন্দু ছাত্রকে স্কুলের কাজের অংশ হিসেবে ‘কলমা’ ও ‘সূরা আল-ফাতিহা’ মুখস্থ ও পাঠ করতে বলা হয়েছে। অভিভাবকদের এমন অভিযোগের জেরে বিতর্ক চরমে।
ঘটনা সাইদাবাদ এলাকার ‘সাকসেস স্কুল’-র। ছাত্রের অভিভাবকদের দাবি, বাড়ি ফেরার পর শিশুটি জানায় যে ধর্মীয় শ্লোক বা আয়াতগুলো তাকে বাড়ির কাজ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তার আগে ক্লাসে সেগুলো পাঠ করতে বলা হয়েছিল। এরপর অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান। অসন্তোষ প্রকাশ করে এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিভাবকদের অভিযোগ, পরিবারের সম্মতি ছাড়া কোনও হিন্দু ছাত্রকে অন্য ধর্মের প্রার্থনা মুখস্থ করতে বলা অনুচিত এবং এতে তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। অভিভাবকরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।
সাইদাবাদ পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, সাকসেস স্কুলের এই ঘটনা নিয়ে তারা একটি অভিযোগ পেয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে সরকারি কৌসুলির (পাবলিক প্রসিকিউটর) কাছ থেকে আইনি মতামত চাওয়া হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
তীব্র রোষের মুখে সাকসেস স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে।
এই ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিভাবকরা ফের জোর দিয়ে বলেছেন যে, স্কুলগুলোর উচিত সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং পরিবারের সম্মতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের কোনও ধর্মীয় পাঠ্য মুখস্থ বা আবৃত্তি করতে বাধ্য না করা।
















