আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৮ জানুয়ারি। কলকাতায় আই প্যাকের অফিসে এবং আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। প্রতীকের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিস, দুই জায়গাতেই পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার, ফের আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালাচ্চছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সূত্রের খবর, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, তিন শহরে সংস্থার দপ্তরে তল্লাশি চালানো হয়েছে। 

সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের প্রোমোটার ঋষি রাজ সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ঠিকানায় ইডি অভিযান চালিয়েছে। ইডি বা আই-প্যাক কেউই এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে যদিও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বুধবার, আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন এবং ঋষি রাজ সিংকে জারি করা সমন সংক্রান্ত একটি শুনানি দিল্লি হাইকোর্টে হয়। তাঁরা দুজনেই প্রশ্ন তুলেছিলেন যে নির্বাচনের মাঝখানে কেন তাঁদের সমন পাঠানো হয়েছে। ইডি হাইকোর্টকে আশ্বাস দিয়েছে যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সমন জারি স্থগিত রাখতে পারে। ঠিক তার পরের দিনেই, ফের তল্লাশির বিষয়টি সামনে এসেছে। 

 

জানুয়ারি মাসে ইডির দপ্তরে হামলার ঘটনায় সুর চড়িয়েছিলেন খোদ মমতা। আইপ্যাক কর্ণধারের বাড়িতে মিনিট খানেক ছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে বলেন, 'তৃণমূলের আইটি সেলের দপ্তরে তল্লাশি চালাচ্ছে। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পদক্ষেপ। নির্বাচনের আগে আমাদের সব তথ্য নিতে চাইছে ইডি। ওরা আমার দলের সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করছিল। আমি সেগুলো নিয়ে এসেছি। এটা কি ইডি-র কাজ?' এরপরই হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, 'আমরা যদি বিজেপির দলীয় দপ্তরে অভিযান চালাই, তাহলে কী হবে?'

 

জানুয়ারিতেও  দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান চলে বলে জানা যায়। এই মামলার তদন্তে কয়েক বছর আগে ঝাড়খণ্ড এবং কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় কয়লা পাচার মামলায় অনুপ মাঝি ওরফে লালা -কে দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। শুধু অনুপ মাঝিই নন, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরও বেশ কয়েকজনকে জেরা করা হয়। পাশাপাশি টাকার লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নথি খতিয়ে দেখেন ইডির আধিকারিকরা। সেই জেরার সূত্র ধরেই উঠে আসে প্রতীক জৈনের নাম। তদন্তকারীদের হাতে আসে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কিছু তথ্য, যা যাচাই করতেই ফের সক্রিয় হয় ইডি। 

 

&t=13s