আজকাল ওয়েবডেস্ক: সহকর্মী থেকে বন্ধু, তারপর প্রেম। গত নভেম্বরেই ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল বছর আটাশের রেডিওলজিস্ট অরুণ শর্মা ও নার্স কাজলের। কিন্তু বিয়ের চার মাস পেরোতে না পেরোতেই সব শেষ। পণের দাবিতে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে শ্রীঘরে ঠাঁই হলো স্বামীর।
গল্পের শুরুটা আর পাঁচটা বিয়ের মতই স্বাভাবিক ছিল। গুরুগ্রামের এক নার্সিং হোমে কাজ করার সুবাদে অরুণের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল কাজলের। সেই আলাপই প্রেমে গড়ায়। কিন্তু বিয়ের পরেই বদলে যায় সম্পর্কের সমীকরণ। কাজলের পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য দিদির ওপর অত্যাচার শুরু করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা অরুণ। মাঝেমধ্যেই চলত মারধর।
গত ৪ মার্চ দোল উপলক্ষে গুরুগ্রামের গড়ি হরসরু এলাকায় কাজলের বাপের বাড়িতে এসেছিলেন দু’জনে। ১৭ মার্চ রাতে মদ্যপ অবস্থায় কাজলের ওপর চড়াও হন অরুণ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পরদিন সকালেও দু’জনের মধ্যে তীব্র বচসা বাধে। কিছু ক্ষণ পরেই কাজলকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বাড়ির লোক। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতার পরিবারের অভিযোগ, শৌচাগার থেকে একটি ইঞ্জেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের দাবি, বিষপ্রয়োগ করেই কাজলকে মেরে ফেলেছেন অরুণ। পুলিশের জালে ধরা পড়ে অভিযুক্ত স্বামীও স্বীকার করেছেন সেই অপরাধ। পুলিশ জানিয়েছে, অরুণের আগে থেকেই মাদকাসক্তির সমস্যা ছিল।
সেক্টর ১০ থানার এসএইচও কুলদীপ সিং জানান, রেল স্টেশন থেকে অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। আপাতত তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভিসেরা রিপোর্টের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
