আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরমহলে এখন চরম দ্বন্দ্ব। ভি ডি সাথীসান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘শীর্ষ পদ’ অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী হওয়া ছাড়া তিনি অন্য কিছুতে রাজি নন। এদিকে দিল্লির হাইকমান্ডের মাথায় ঘুরছে অন্য অঙ্ক।
গত এক সপ্তাহ ধরে টানাপড়েন। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধির পছন্দের পাত্র কে সি বেণুগোপালকেই কেরলের কুর্সিতে বসাতে চায় দিল্লি। আর সাথীসানকে দেওয়া হতে পারে মন্ত্রিসভার কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদ। এমনকী অন্য এক দাবিদার রমেশ চেন্নিথালাকে স্পিকার করার ভাবনাও রয়েছে।
কিন্তু সাথীসান অনড়। তাঁর পক্ষে জনসমর্থন যেমন আছে, তেমনই জোটসঙ্গী আইইউএমএল-ও তাঁকে চাইছে। ফলে এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। একদিকে বিধায়কদের বড় অংশের মত, অন্যদিকে জোটসঙ্গীদের চাপ- সব মিলিয়ে লেজেগোবরে দশা হাইকমান্ডের। পরিস্থিতি সামলাতে কালই কেরল কংগ্রেসের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাহুল গান্ধি।
এদিকে তিরুবনন্তপুরমে দলের অন্দরেও লড়াই চলছে। কোথাও বেণুগোপালের পোস্টার পড়ছে, তো কোথাও সাথীসানের অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। সাথীসান কেরলে বামেদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান মুখ, তাই তাঁকে চটানোর ঝুঁকি নিতে ভয় পাচ্ছে দল। আবার বেণুগোপালকে মুখ্যমন্ত্রী করলে তাঁকে উপনির্বাচনে জিতিয়ে আনা এবং তাঁর ছেড়ে দেওয়া লোকসভা আসনে ভোট করানোর মতো বাড়তি ঝক্কিও আছে।
অন্যান্য রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীরা শপথ নিলেও কেরলে এখনও জট কাটেনি। তবে কংগ্রেসের এক শীর্ষ নেতার দাবি, তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২৩ মের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।















