আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোররাতে টহলদারিতে বেরিয়ে বিপত্তি। পুলিশের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা বেপরোয়া ট্রাকের। রাস্তার ধারে উল্টেই দুমড়ে মুচড়ে যায় গাড়িটি। বন্ধ গাড়ির মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি একের পর এক পুলিশ কর্মীর।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ভোররাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার ঝারসুগুড়া জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, বেপরোয়া একটি ট্রেলার ট্রাক পুলিশের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনায় পাঁচ পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঝারসুগুড়া থানার অদূরেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এদিন ভোররাতে টহলদারি দিতেই বেরিয়েছিল পুলিশের গাড়িতে। সেই সময় দ্রুত গতিতে উল্টোদিক থেকে আসছিল ট্রেলার ট্রাকটি। বেপরোয়া গতিতে এসে ট্রাকটি পুলিশের গাড়ির সামনে সজোরে ধাক্কা মারে। দুই গাড়ির সংঘর্ষে দুমড়ে মুচড়ে যায় পুলিশের গাড়িটি।
দুর্ঘটনাস্থলেই পাঁচ পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে একাধিক পুলিশ আধিকারিক রয়েছেন। ওই গাড়িতেই ছিলেন আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী। তাঁদের মধ্যে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ কর্মীদের দ্রুত উদ্ধার করে ঝারসুগুড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত বছর নভেম্বর মাসে এমন আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। বেপরোয়া গতির জেরে আরেকটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটেছিল। জন্মদিনের পার্টি সেরে আর বাড়ি ফেরা হয়নি। বেপরোয়া গতির বলি পাঁচ বন্ধু। রবিবার ভোরবেলায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একসঙ্গে মারা যান তাঁরা। দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় শিউরে ওঠে খোদ পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল রবিবার ভোরবেলায় মধ্যপ্রদেশে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালিয়র-ঝাঁসি হাইওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি বেপরোয়া গতির গাড়ি। এসইউভি গাড়িতে ছিলেন একদল যুবক। তাঁরা সকলেই একে অপরের বন্ধু ছিলেন। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই পাঁচ বন্ধুর মৃত্যু হয়েছিল।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মারওয়া কলেজের সামনে ভোর ছ'টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। গাড়িটিও বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। আচমকা দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালিবোঝাই ট্র্যাক্টরে সজোরে ধাক্কা দেয়। নিমেষে দুমড়ে মুচড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে গাড়ির বিভিন্ন অংশ। গাড়ির সকল যাত্রীর মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। পাঁচ বন্ধুই গোয়ালিয়রের বাসিন্দা ছিলেন।
জানা গেছে, গাড়িটি ঝাঁসি থেকে গোয়ালিয়রের দিকেই যাচ্ছিল। জন্মদিনের পার্টি সেরে সকলে একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গাড়িটি ১২০ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি এমনভাবে দুমড়ে যায়, যা একনজরে দেখে চেনাও যায়নি। ট্র্যাক্টরের তলায় পিষে যায় খানিকটা। দুর্ঘটনার ভয়ঙ্কর পরিণতিতে পুলিশের চোখ কপালে। মৃত পাঁচজনের বয়স ২৫ বছরের আশেপাশে ছিল।
