আজকাল ওয়েবডেস্ক: মন্দিরে যাওয়ার পথেই সব শেষ! ভোরবেলায় ট্রাক ও ট্যাঙ্কারের মুখোমুখি সজোরে সংঘর্ষ। পথেই শেষ একের পর এক পুণ্যার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও কয়েকজন। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরবেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলায়। গাড়িটিতে পুণ্যার্থীরা ছিলেন। সেই গাড়ির সঙ্গেই একটি ট্যাঙ্কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় আটজন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১০ থেকে ১২ জন। 

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ১৬৭ নম্বর জাতীয় সড়কে। ধর্মপুর টোল প্লাজা থেকে ৮ থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে। ছোট ট্রাকটিতে বহু পুণ্যার্থী ছিলেন তাঁরা শ্রী রাঘবেন্দ্র স্বামী মঠে যাচ্ছিলেন। ট্রাকটিতে ২১ জন ছিলেন বলে জানা গেছে। মঠে যাওয়ার পথেই আরেকটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। 

 

সজোরে সংঘর্ষের জেরে ছোট ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই আট পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা, দু'জন পুরুষ ও এক শিশু রয়েছে। তাঁরা সকলেই কর্ণাটকের বাসিন্দা ছিলেন। 

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে কয়েকজনকে কুর্নুলের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কী কারণে এই ঘটনা তার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

 

দিন কয়েক আগেই আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। শর্টকাট নিতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। দুর্ঘটনার কবলে গাড়ি। ঘুরতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই সব শেষ। পথেই মর্মান্তিক পরিণতি গোটা পরিবারের। যে ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই পরিবারটি ঘুরতে গিয়েছিল। তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর জন্য শর্টকাট নিতে গিয়েই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। যাত্রী সহ গাড়িটি কুয়োয় পড়ে যায়। নিমেষের মধ্যে ওই পরিবারের ন'জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ছ'জন নাবালক। 

 

পুলিশ জানিয়েছে, দিন্ডোরি এলাকায় এক কোচিং সেন্টারের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তাঁরা। গাড়িতে ছ'জন নাবালক ছিল। যাদের বয়স ৭ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। ওই অনুষ্ঠানের জায়গা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরেই তাদের বাড়ি।‌ অনুষ্ঠান শেষেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন সকলে। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথেই শর্টকাট নেন ওই পরিবারের এক সদস্য। তাতেই ঘটে বিপত্তি। 

 

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি রাস্তার ধারের এক কুয়োয় ধাক্কা দিয়েই উল্টে পড়ে। কুয়োয় ডুবেই পরিবারের সকল সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি দমকলে খবর পাঠান। প্রায় ৪০ ফুট পর্যন্ত জল রয়েছে ওই কুয়োয়। উদ্ধারকাজ শুরু করলেও, ততক্ষণে সব শেষ। গাড়ি থেকে সকলের মৃতদেহ কয়েক ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়। এক নাবালকের দেহ গাড়ির বাইরে থেকে উদ্ধার হয়েছে।