আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরুতে নির্মমভাবে খুন বাঙালি নাবালিকা। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মেয়ে ছিল সে। নর্দমা থেকে তার প্লাস্টিকে মোড়ানো দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, ছ'বছরের এক নাবালিকাকে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃত নাবালিকা আদতে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ছিল। প্লাস্টিকের ব্যাগে নাবালিকার দেহটি ভরে, নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। সেই নর্দমা থেকেই উদ্ধার হয়েছে নাবালিকার দেহ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর অভিজাত হোয়াইটফিল্ড এলাকায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নাবালিকার পরিবার ও তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে বচসা চলছিল। দুই পরিবারের ব্যক্তিগত ঝামেলার জেরেই নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে নাবালিকাকে। দুই পরিবারই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বেঙ্গালুরুতে কাজ করেন।
পুলিশের এও জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় হোয়াইটফিল্ড থানায় নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এফআইআর দায়ের করার পরেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেদিন মধ্যরাতে নাল্লুরহাল্লিতে টেম্পল রোডের নর্দমা থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে দেহটি পাঠিয়ে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
হোয়াইটফিল্ডের পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, নাবালিকার গলায় প্লাস্টিকের দড়ি আটকানো ছিল। শরীরের আর কোথাও আঘাতের চিহ্ন ছিল না। গলায় প্লাস্টিকের দড়ির ফাঁস লাগিয়ে, শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছর বেঙ্গালুরুতে গণধর্ষণের শিকার হন বাংলার এক তরুণী। গণধর্ষণের পরেও শান্তি হয়নি। এরপর ওই তরুণীর বাড়ি থেকে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তিনজনকে আটক করে জেরা শুরু করে পুলিশ। আরও দু'জনের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর গঙ্গোন্দাহাল্লিতে। বাংলার এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল পাঁচজনের বিরুদ্ধে। গণধর্ষণের পর তরুণীর বাড়ির সর্বস্ব লুটে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা বেজে ১৫ মিনিট থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণধর্ষণ ও চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল। ওই বাড়িতে ছ'জন বাসিন্দা ছিলেন। রাতে ওই পাঁচ যুবক দরজা ধাক্কাধাক্কি করে, তা খোলার জন্য হুমকি দেয়। এরপর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ নির্যাতিতার বড় ছেলে পুলিশে ফোন করে অভিযোগ জানায়। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা।
পুলিশ আধিকারিক সিকে বাবা জানিয়েছেন, গণধর্ষণের পর অভিযুক্তরা ওই বাড়ি থেকে দু'টি দামি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২৫ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যান। নির্যাতিতা তরুণী পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। এই এলাকায় তিনি আরও দু'জন মহিলা, দু'জন বয়স্ক ব্যক্তি ও দু'জন শিশুর সঙ্গে থাকতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ অভিযুক্ত ওই এলাকার বাসিন্দা। নির্যাতিতা তরুণী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। অভিযুক্তদের সঙ্গে নির্যাতিতার পূর্ব পরিচিত ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কার্তিক, গ্লেন, সুযোগ নামের তিন অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। বাকি দুই অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। গণধর্ষণ ও চুরির মামলা রুজু করে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
