আজকাল ওয়েবডেস্ক: চলতি মাসেই দেশের চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের দামামা। ছাব্বিশের নির্বাচনে কার কপালে কী আছে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে মহিলা ভোটারদের ওপর। পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পণ্ডিচেরিতে মহিলা ভোটারদের দাপট এখন পুরুষদের সমান। কোথাও কোথাও আবার তাঁদের ছাপিয়েও গিয়েছে।

এক নজরে ভোটের খতিয়ান- 

পণ্ডিচেরি: মহিলারা সংখ্যায় এগিয়ে। পণ্ডিচেরিতে পুরুষ ভোটারের তুলনায় মহিলা ভোটার প্রায় ৬০ হাজার বেশি। 

কেরালা: কেরালায় পুরুষদের (১.৩১ কোটি) টেক্কা দিয়ে মহিলাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১.৩৮ কোটিতে।

 অসম:  অসমে পুরুষ ও মহিলা ভোটারের সংখ্যা প্রায় সমান সমান।  

তামিলনাড়ু: মোট ভোটারের ৫১ শতাংশই নারী। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি ভোটই মহিলাদের।

পশ্চিমবঙ্গ: পশ্চিমবঙ্গেও ছবিটা খুব একটা আলাদা নয়। প্রায় ৭ কোটি ভোটারের মধ্যে ৩.৪৪ কোটিই মহিলা। বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে মহিলারা যে বড় শক্তি, তা মানছেন সব পক্ষের নেতারাই।

উল্লেখ্য, মহিলাদের মন জয় করতে কোনও খামতি রাখছে না রাজনৈতিক দলগুলি। লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইনকে হাতিয়ার করে বাংলায় প্রচার চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কথায়, "দেশের বড় সিদ্ধান্তে মা-বোনেদের অংশগ্রহণ জরুরি।"

পাল্টা লড়াই দিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিও।  ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করার পাশাপাশি মহিলারা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই বার্তাও দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই দক্ষিণের রাজ্যগুলিও। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ক্ষমতায় এলে মহিলাদের ঘরের জিনিস কেনার জন্য ৮,০০০ টাকার কুপন, এমনকী সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা দেওয়া হবে। 

কেরলে আবার বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, গরিব পরিবারের মহিলা প্রধান ও বিধবাদের পেনশন বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করা হবে।

প্রসঙ্গত, অসম, কেরল এবং পণ্ডিচেরিতে ভোট হবে ৯ এপ্রিল। তামিলনাড়ুর ভোটাররা ভোট দেবেন ২৩ এপ্রিল। ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় ভোট দুই দফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। সব ক’টি রাজ্যের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।