আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে ১৩ বছরের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। কিশোরীর শারীরিক গঠনে পরিবর্তন আসার পর তার পরিবার জানতে পারে, কয়েক মাস আগেই সে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। ধর্ষণ করেছিল স্কুল পিওন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের করেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করেনি।
রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, কয়েক মাস আগে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে ফারুকাবাদে। অভিযুক্ত একটি সরকারি স্কুলের পিওন। কিশোরীর সঙ্গে আগেই তার পরিচয় ছিল। ঘটনার দিন বাড়ির অদূরে একটি জায়গায় কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের দেখা হয়। সেই সময় তার সঙ্গে এক বন্ধুও ছিল। সেদিন কিশোরীর মুখ চেপে তারা একটি ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেই কিশোরীকে ধর্ষণ করে ওই যুবক।
নির্যাতিতা জানিয়েছে, ধর্ষণের সময় পিওনের বন্ধু পাশে দাঁড়িয়ে ভিডিও তুলছিল। এমনকী ঘটনাটি বাইরে ফাঁস করলে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছিল তারা। এই ঘটনার পর পরিবারকে ভয়ে আর কিছু জানায়নি সে। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে দেখে মায়ের সন্দেহ হয়। তারপরেই ধর্ষণের ঘটনাটি স্বীকার করে নেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার পরিবার দুইজনের বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। মামলার তদন্ত চলছে। খুব দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
















