আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা শূন্যের কাছাকাছি। এর জেরেই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা জাতীয় সড়কে। পরপর একাধিক গাড়ির মধ্যে সজোরে সংঘর্ষ। আহত হয়েছেন একের পর এক যাত্রী। সকলেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আমরোহায়। পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি-লখনউ জাতীয় সড়ক এলাকায় ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি ছিল। দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণে পরপর গাড়িতে সজোরে সংঘর্ষ হয়। এর জেরে একাধিক যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, গাজরাওলা থানার অন্তর্গত শাহওয়াজপুর দোর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দৃশ্যমানতা প্রায় তলানিতে থাকার কারণে ৯ নম্বর জাতীয় সড়কে পরপর ১০টি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এর জেরে ১২ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই বিশাল পুলিশ বাহিনী ও একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয়। আহতদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এদিন সকালে দৃশ্যমানতা এত কম ছিল, সামনের কোনও গাড়িই দেখা যাচ্ছিল না। এর জেরে পরপর ১০টি গাড়ির ধাক্কা লাগে সজোরে। দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল স্তব্ধ ছিল। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলি সরানোর পর, যান চলাচল ফের শুরু হয়।
প্রসঙ্গত, গত মাসে ঘন কুয়াশার জেরে আরেকটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সকালে ঘন কুয়াশার জেরে দিল্লি-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে অন্তত সাতটি বাস, তিনটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। সজোরে ধাক্কার পরেই গাড়িগুলিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভোর ৪:৩০ মিনিটে মথুরার বলদেব এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ৩৫ জন আহত হয়েছিলেন।
এর আগে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ধোঁয়াশার জেরে পরপর কুড়িটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উল্টে যায় একাধিক ট্রাক। এর ফলে দুই পুলিশকর্মী-সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েছিলেন ২০ জন। কুয়াশা ও ধোঁয়াশার জেরে পরপর কয়েকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
