দীক্ষা ভুঁইয়া: রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই, লক্ষ্য ছিল সপ্তম পে কমিশন বাস্তবায়ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সমগ্র প্রক্রিয়ার জন্য কয়েকমাস সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। এর আগে, শুক্রবার সপ্তম পে কমিশনের একাধিক নিয়মাবলী এবং শর্ত নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেয় নবান্ন।
2
7
ঠিক তার দু'দিন পর, সোমবার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গঠিত সপ্তম বেতন কমিশন নবান্নে প্রথম বৈঠক করল। বৈঠকে কমিশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন পরিষেবা এবং বিভিন্ন আইনসিদ্ধ সংস্থা, কর্পোরেশন ও সরকারি সংস্থার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কমিশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার রূপরেখা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
3
7
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, দ্রুত একটি ওয়েবসাইট চালু করা হবে। সেখানে কমিশনের কাজ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে। বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ আহ্বান, নোটিস জারি, তথ্য সংগ্রহ এবং মেমোরান্ডাম গ্রহণের মতো বিষয়গুলিও ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা হবে।
4
7
একইসঙ্গে সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অনুমোদনহীন নথি ছড়িয়ে পড়ায় সতর্ক করেছে কমিশন। ওই নথিতে কমিশনের সুপারিশ সংক্রান্ত একাধিক ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও যাচাই না-করা তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
5
7
কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, তারা সবে কাজ শুরু করেছে। ফলে এখনও কোনও সুপারিশ করা হয়নি। তাই সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনও অননুমোদিত সূত্রে প্রকাশিত তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করেছে কমিশন।
6
7
১০ অগস্ট, ২০২৬ নবান্ন থেকে প্রকাশিত প্রেস নোটে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অনুমোদিত ও প্রামাণ্য সূত্রের উপরই নির্ভর করতে হবে।
7
7
সপ্তম পে কমিশন কার্যকর হলে, কর্মীদের বেতন কত বাড়বে? তা নিয়ে নিরন্তর চর্চা এবং জল্পনা চলছেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ষষ্ঠ পে কমিশনের অধীনে রাজ্য সরকারি কর্মীরা যে বেসিক বেতন পান, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে, তার থেকে ১.৮০ থেকে ২.৫০ গুণ বাড়তে পারে।